Posts

Showing posts from August, 2020

লিখে যাও

  ~ লিখে যাও ~ ----------------------- তুমি লিখে যাও, বলে যাও প্রাণ খুলে, যা আছে মনে। না বলা কথাগুলো ঝড়ে পড়ুক সাদা পাতায়! তুমি যখন ছোট্ট ঘরের কোণে। শুনছি আমি, নীরবে, নিভৃতে, একান্তে! হয়তো কথা বলছি তোমার সাথে, নিজের‌ই অজান্তে! লেখো, আর‌ও লেখো। শক্তি পাবে, পাবে মনের জোর! অপেক্ষায় তোমার লেখার, লেখায় আসুক নতুন ভোর! ©️ অর্ণব ৩০ শে আগস্ট ২০২০, রবিবার।

একটা রাত, জ্ঞানত জীবনের প্রথম রাত জাগা

একটা রাত, জ্ঞানত জীবনের প্রথম রাত জাগা ~ ---------------------------------------------------- যদিও সময়টা এখনও চলমান। তারপরেও, বুকের শূন্যতা একটু কাটানোর জন্য‌ই খসখস করে স্মার্টফোনের G board - এর ওপর দিয়ে Google Keep - এর সাদা ফাঁকা পাতায়, সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় কিছুটা ভরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা! না, আর পাঁচটা সাধারণ মানুষের মতো জীবনের লড়াইটা এতো সহজ নয় আমার। একের পর এক ঘাত প্রতিঘাত জীবনের চলার পথে এসে অন্ধকার হয়ে দাঁড়িয়েছে সামনে বারেবারে ! যেটা হয়তো স্বপ্নের‌ও বাইরে। এমন কিছু ঘটনা, যা ঘটার পরে স্বাভাবিক ভাবেই জীবনে বাঁচার ইচ্ছে বা সাহস রাখে এমনজনকে খুব একটা পাওয়া যায়না! যাদের পাওয়া যায়, তাদের মধ্যে আমিও একজন। হাসিমুখে সবকিছু ভুলে থেকে নিজেকে ব্যস্ত রেখে অভিনয় করে চলেছি আজ‌ও! নিজের জন্য নয়! শুধু কিছু মানুষের জন্য! বারে বারে চাপা কান্নারা ভিড় করে এসেছে। কাঁদতে পারিনি প্রাণ খুলে! পাছে সেই মানুষগুলো কষ্ট পায়! আসলে নিজের জন্য সেইভাবে ভাবাটা বহুবছর আগেই থমকে গিয়েছে। একটা রাত। জ্ঞানত জীবনের প্রথম রাত জাগা। সারারাত চোখের পাতা এক‌ই হয়নি। বিছানায় শুয়ে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল...

~ আপন সকাল ~

  ~ আপন সকাল ~ মনে হয়, প্রতিটা সকাল কত আপন। ঘুম ভাঙ্গার সাথে সাথেই বিশ্বাস করায়, পরম স্নেহে, অনেক আদরে আশা নিয়ে ভরসা যোগায়। জগতের সবথেকে সুন্দরতম একটি দিন সে আজ উপহার দেবে ভালোবেসে। হারানো সব কিছু খুঁজে দেবে, স্বপ্নগুলো সত্যি হবে এক নিমেষে। পরম বিশ্বাসে এভাবেই শান্তি পাই। ফিরে পাই আশার আলো! ভরসা কাউকে করতেই হয়, অন্তত এই সকাল ভালো। ©️ অর্ণব ২৭ শে আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার

শূণ্যতা

  ~ শূণ্যতা ~ মাঝে মধ্যে অজান্তেই, চোখ থেকে জল গড়িয়ে আসবে বলেও আসে না! চোখ দু'টোকে অনেক জোরে জোরে মেলা ধরার চেষ্টা চলে! বুকের ভেতরটা শূণ্য হয়ে ওঠে! সবটাই বুঝি অভিনয়ের ছলে! ©️ অর্ণব ২৫ শে আগস্ট ২০২০

না চিলেকোঠা, তোমাকে বলিনি

না চিলেকোঠা  তোমাকে বলিনি ~ না চিলেকোঠা ( ২ রা আগস্ট ২০২০ ) তোমাকে লিখছি না! কাকে লিখছি তাও জানিনা। আমি নিজেও নয়! তবে, লিখছি! লিখতে হচ্ছেই! ধরে নিও, ভার্চুয়াল জগতের একের পর এক পাতায় চিলেকোঠাকে লেখা কোন এক সন্তানের অন্তরের আকুতি, আর্তনাদে মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়া পৃথিবীর কোন এক ছোট্ট কোণে থাকা নাম না জানা আরেক সন্তানের অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে! তুমি ( তুমিই বললাম। আপনি বললে এ লেখা লিখতে পারব না আমি! ) অনেক দূরের! আবার অনেক কাছের‌ও হয়তো! এই দূরে কাছের বিষয়টা আমার কাছে বেশ গোলমেলে। যাকে কোন দিন দেখিনি ( হয়তো দেখাও হবে না কোনদিন! )। যার সম্পর্কে তেমন কিছু জানি‌ই না। তাকেও তো কাছের মনে হয় আমার! আপনজন! সময়ের ব্যাবধান! জীবন আর মৃত্যুর সংজ্ঞাটা আজ‌ও অজানা! হয়তো জানার চেষ্টা বা স্পর্ধা করাও বৃথা! জীবন‌ই কি মৃত্যু! নাকি, মৃত্যুই জীবন! ২৫ শে আগস্ট ২০১৫! নিশ্চয়ই তুমি শুনতে পাচ্ছো! জানি, ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে অনেক যুক্তি দেয়। মনে হয় সবটাই ঠিক। না হয় মেনেই নিলাম! তবে আংশিক! এর‌ই মাঝে ঘটে চলা কত খেলা। লুকোচুরি। স্নেহ, মায়া, মমতা, ভালোবাসা, স্বপ্ন, সুখ, দুঃখ...

ধ্যানমগ্ন ঋষির মত‌ই

  মাঠের প্রেমে পড়েছি বহুদিন থেকে, আটকে গিয়েছি। মাঠ ছেড়ে যাওয়া নয়, এ শুধুই ব্যস্ততা। হারাবার খেলা বোঝার জন্য তপস্যা প্রয়োজন, তাইতো, হারানোর মাঝে হারানোর খোঁজে নিজেকে ভুলিয়ে রাখার জন্য‌ই ধ্যানমগ্ন ঋষির মত‌ই থাকি সারাক্ষণ ! - ©️ অর্ণব ২৩ শে আগস্ট ২০২০, রবিবার।

শিখতে চাই...

মাঝে মধ্যে মনে হয়, জীবন থেকে অনেক কিছুই পেয়ে গেলাম। হয়তো বা একটু বেশি-ই পেলাম, যা আমার পাওয়ার ছিল না। আবার মনে হয়, কিছুই তো পেলাম না। সবথেকে বড় কথা কিছুই শিখতে পারলাম না। যতটুকু শেখার কথা ছিল আমার, তার সিকিভাগ‌ও তো শেখার সুযোগ বা সময় কোনটাই পেলাম না। আর কিছু পাই বা না পাই, এই শেখার লোভটা আমার চিরদিনের। যে লোভকে আমি বশ মানাতে পারিনি আজও। আর‌ও শিখতে চাই। প্রতিনিয়ত, প্রতিমুহূর্তে। জীব ও জড় সবার থেকে। সারাজীবন শিখে যাওয়ার সময় ও সুযোগটা পেলে- ই জীবন বলে যদি কিছু থাকে তার বৃত্ত পূর্ণ হবে কিছুটা... ©️ অর্ণব ২৩ শে আগস্ট ২০২০, রবিবার।

কথা

কথার ওপর কথা চাপা পড়ে, আসল কথাগুলো বলাই হয়ে ওঠে না। মনে ভাবি, একের পর এক সাজি-য়ে, গুছি-য়ে কথাগুলো বলার। কথা বলা হয়। পরে মনে হয়, আরো অনেক কথা ছিল। আর‌ও অনে-ক কথা বাকি রয়ে গেল! বলাই হয়নি! এভাবেই কখন যে কথার গভীর স্রোতে নিজেকে হারিয়ে ফেলে এক বদ্ধ পাগলে পরিণত হ‌ই বারেবারে বুঝতেই পারি না। সবটাই গোলমেলে। সময়, জীবনটাও মনে হয় তাই! সময়ের‌ই যত দায়, দোষ! কথার ওপর কথা চাপা পড়ে যায়, আসল কথাগুলো আর বলাই হয়ে ওঠে না! আসল কথাগুলো আর বলা হয়ে ওঠেনি! - অর্ণব। ২১ শে আগস্ট ২০২০, শুক্রবার।

চাপা কান্না

ইদানিং চাপা কান্নাদের ভিড়টা একটু বেড়েই গিয়েছে। প্রতিনিয়ত, প্রতিমুহূর্তে! মনে হয়, অনেক জোরে জোরে চিৎকার করে প্রাণ খুলে একটু কেঁদে নি‌ই। কিন্তু কান্নারা আসেনা। আসেই না! ভয় পায়! লজ্জা! কাঁদতে পারিনা। মনে হয়, একেবারে শান্ত, নিস্তব্ধ একটা জায়গা যদি পেতাম একটু কাঁদার জন্য! তাহলেই কি কাঁদতে পারতাম প্রাণ খুলে! হয়তো পারতাম, কিংবা নয়! আচ্ছা, ঘুমের মধ্যেই একটু কেঁদে নেওয়ার সুযোগ যদি পেতাম! তাহলে তো কেউ জানতে পারত না। একেবারে একা! চাপা কান্না! একটু জোরে জোরে চিৎকার করে প্রাণ খুলে কাঁদতে চাই! ইতিবাচক ভাবেই কাঁদতে চাই। আলোর পথে, বাঁচার জন্য! - ©️ অর্ণব ২০ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার

স্বপ্ন

স্বপ্ন আর বাস্তবের মধ্যে একটা বিস্তর ফারাক থাকলেও, স্বপ্নটা কিন্তু দেখতেই হয়। স্বপ্ন আর জীবনের মধ্যে একটা নীবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। স্বপ্ন দেখা মানেই তা বেঁচে থাকার অক্সিজেন। সামনে এগিয়ে চলার প্রেরণা। স্বপ্ন দেখতে হয় প্রতিনিয়ত। আর চেষ্টা করতে হয় তা বাস্তবায়ন করার। তবেই সামনে এগিয়ে চলা সম্ভব। এভাবেই পার করে এসেছি ১৯৮৯ - ২০০১ - ২০১৯। ২০২০ টা চলমান... -  ©️  অর্ণব ১৯ শে আগস্ট ২০২০

সময়ের গুরুত্ব, সময়কে সম্মান, সবার জন্যই একথা সমান

⏰  সময়ের গুরুত্ব, সময়কে সম্মান। সবার জন্যই একথা সমান। ------------------------------------- সময়ের প্রবাহমানতা ও রূপান্তরে, আজকে পৃথিবীর বিভিন্ন কোণে, সারাক্ষণ চেয়ারে বা হুইলচেয়ারে গুটিকয়েক মানুষ বসে যদি না থাকত, তাহলে পৃথিবী আজকে তাদেরকে পৃথিবীর বিভিন্ন কোণে প্রতিনিয়ত ছুটতে ও হাঁটতে হাঁটতে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে দেখতে পেত, কি পেত না, সেই প্রসঙ্গে নাই-বা গেলাম  😀 । সময়ের মূল্য প্রত্যেকের‌ই রয়েছে। কাজটা সবাই করে। বিভিন্ন রূপে, বিভিন্ন ভাবে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে। কেউ ছুটে, কেউ হেঁটে, আবার কেউবা সারাক্ষণ চেয়ারে বা হুইলচেয়ারে বসেও। এই নয় যে, ছুটে হেঁটে কাজ করা মানুষগুলো‌র‌ই শুধু সময়ের অভাব। আর, চেয়ারে বা হুইলচেয়ারে সারাক্ষণ বসে থাকা মানুষগুলোর সময় প্রচুর। ধারনাটা একদমই ভুল। ক্ষেত্র বিশেষে বিষয়টা অনেকসময় বিপরীত‌ও হয়ে দাঁড়ায়। যাইহোক, সময়ের গুরুত্বটা সবার জন্যই সমান। সময় নিজেও তা ভালো করে জানে এবং মানে। মানুষের কাজ, মানুষকে সম্মান করার পাশাপাশি মানুষের সময়টাকেও গুরুত্ব দেওয়া ও সম্মান করা উচিৎ। -  ©️  অর্ণব ১৭ই আগস্ট ২০২০

ভালো থাকা, অনুপ্রেরণা

  ~ ভালো থাকা, অনুপ্রেরণা 😀 ~ ভালো থাকা, ইতিবাচক থাকাটা সম্পূর্ণ নিজের ওপরেই নির্ভর করে। ভালো থাকা, ইতিবাচক থাকা বা নিজেকে ভালো রাখাটা কোন মোটিভেশনাল স্পিকারের অনুপ্রেরণামূলক কথার ওপর নির্ভর করে না। সে যত বড়‌ মোটিভেশনাল স্পিকারের অভিজ্ঞতার কথাই হোক না কেন। আসলে সেই অর্থে অনুপ্রেরণা বলতে জগতে মনে হয় কিছুই নেই। নিজেই নিজের অনুপ্রেরণা বললেই মনে হয় ভালো হয় বিষয়টা। প্রত্যেকের জীবনের গল্পটা ভিন্ন, অভিজ্ঞতা, সমস্যাও ভিন্ন ভিন্ন। তাই সমাধান, সমাধানের পথ খোঁজাটাও ভিন্ন‌ই হয়। দায়িত্ব নিয়েই বলছি। আমার জীবনের অভিজ্ঞতা অন্তত সেই কথাই বলে! আমার এই লেখাটাও কাউকে অনুপ্রেরণা জোগানোর জন্য নয়। কেউ অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকলে সেটা অন্য বিষয়। শুধুমাএ নিজে ভালো থাকার জন্য‌ই এই লিখিত প্রকাশ। আমি ভীষণ স্বার্থপর! তবে এই স্বার্থপরতার বাইরে গিয়েও মনে থেকে চাই সবাই ভালো থাকুক। হাজার বাধা, কষ্ট, দুঃখকে উপেক্ষা করে মন থেকে যদি মনে হয় আমি ভালো আছি। তাহলে ভালোই থাকা যাবে। সারাজীবন... - ©️ অর্ণব। ১৬ই আগস্ট ২০২০

সেই অজানা

  সেই অজানা ------------------ মন, সময়ের কাছে বড়ই হারমানা। সময়, সে এক পাগল আনমনা। কাজ, ব্যস্ত রাখার দিন গোনা। জীবন, জানার শেষে সেই অজানা। - ©️ অর্ণব ১৬ই আগস্ট ২০২০

প্রশ্নের শেষ নেই

◼️   প্রশ্নের শেষ নেই। প্রশ্ন ছিল, আছে, থাকবেও। ◼️  একদম সঠিক, সম্পূর্ণ বলে কিছুই নেই। হবেও না কোনদিন। ◼️  আলোর পাশে অন্ধকার থাকবেই। নাহলে আলোকে আলোর রূপে দেখাই যাবে না। তাই বলে একেবারে অন্ধকার নয়। ◼️  প্রশ্ন এবং উত্তর চলুক কম বেশি। কেউই একা চলতে পারবে না। ◼️  দুঃখ না থাকলে সুখের উপস্থিতি পাওয়া অসম্ভব। ◼️  সমস্যাগুলোকে সমাধানের চেষ্টা করা হোক। শক্তি দিয়ে নয়। মানবিক ভাবে। আলোচনায়। সমস্যা আসুক। তবে একটু মানবিক ভাবেই। না হলে, সমাধান‌ই হারিয়ে যাবে। ◼️  জীব ও জড় তার মনের ভাব প্রকাশের জন্য শৃঙ্খলতা বজায় রেখে আর‌ও বেশি করে মুক্ত হোক। ◼️  জীবন আর‌ও মানবিক হয়ে উঠুক। চেষ্টা করুক মানবিক হতে। ◼️  কিছু শব্দের অর্থ ব্যাপক। গভীরতা অনেক।অনেক স্তর। ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ। আমার মতো অজ্ঞ মানুষ অন্তত সেই অর্থের গভীরতা ছোঁয়ার মতো সাহস রাখি না। বিতর্কে যাব না। ইচ্ছেও নেই। এ বিতর্কের শেষ নেই। কাউকে বোঝাতেও নয়। ব্যক্তিগত অভিমত লিখিত ভাষায় নীরবে প্রকাশ করলাম মাত্র। কি নিয়ে লিখলাম হয়তো নিজেই জানিনা। ©️  অর্ণব ১৫ই আগস্ট ২০২০

ফিরে দেখাতেই নতুন দেখা

  ফিরে দেখাতেই নতুন দেখা, নতুন করে পাওয়া, নেওয়া শুধুই খুশির সময় কষ্ট ভুলে যাওয়া ! 🇮🇳  ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা  🇮🇳 - অর্ণব ১৫ই আগষ্ট ২০২০

স্বাধীন খুশি

  স্বাধীন খুশি    ----------------- খুশির খবরে মন্দা ভীষণ। অনেক দাম, তার যে এখন। তাও জোর করে, বেশি টাকা দিয়ে শুধু কিছু খুশি কেনা! টাকা দিলেও, জুটছে না তা, বলছে না না না না। দু`বেলা দুমুঠো, জুটছে না ভাত পেটে কিল মেরে বসে। তাও খুশি চাই, না হয় শুধুই খুশির ছদ্মবেশে! পৃথিবী ক্রমশ অচেনা লাগছে। হঠাৎ করে, না বলে কিছুই অনেকে দীর্ঘ ভ্রমণে যাচ্ছে! আপনজনেরা কষ্ট পাচ্ছে! খুশির খবরে মন্দা ভীষণ! অনেক দাম, তার যে এখন! জানিনা এর শেষ কোথা পাই, এক টুকরো স্বাধীন খুশি চাই! আমরা সবাই...  -  ©️ অর্ণব         ১৪ই অগাস্ট ২০২০, শুক্রবার।

অগোছালো ভাবনার বুনন...

  তুমি যা দেখছ, শুনছ, আমি তো তা নাও দেখতে পারি অর্ণব। আবার, এর বিপরীত ও হতে পারে। আসলে আমাদের দেখা, শোনা অনুভব এসবের বাইরেও একটা জগৎ আছে অর্ণব। কতিপয় মানুষ ছাড়া যার খোঁজ কেউ রাখে না। রাখার চেষ্টাও করে না। প্রয়োজন‌ও নেই! সবাই ভাবতে পারে। সবাই। কতিপয় মানুষ ছাড়া সেই ভাবনার প্রকাশ‌ও করে ফেলে। মাধ্যমটা যে যার ভিন্ন ভিন্ন। অবহেলা, অপমান কর না সেই কতিপয় মানুষগুলোকে অর্ণব। সবাইকে সম্মান করে যাও, এভাবেই। ভাবনার বুনন গুলো আরও অগোছালো হয়ে ওঠুক তোমার। তুমি আ‌র‌ও অগোছালো ভাবনার বুনন  বুনতে থাক প্রাণ ভরে। আগামীর জন্য। নিজের জন্য। ইতিবাচকভাবেই সামনে এগিয়ে চল আলোর পথে.... ©️  অর্ণব ১২ই অগাস্ট ২০২০, বুধবার।

চোখের পলক

চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই সব শেষ। সৃষ্টি‌ও তো হচ্ছে সমান তালেই। তুমি তা সবসময় টের‌ও পাওনা অর্ণব। অনেকেই টের‌ পায় না। সৃষ্টি ধ্বংসের এ কি এক উৎসব? সব জেনেও চারিদিকে এতো কলরব! এটাই কি নিয়ম? এটাই কি জগতের দিনলিপি? এটাই কি অভিনয়? ওহ্‌, আমরা তো হয়তো সবাই অভিনেতা! তুমিও তো তাই অর্ণব! মঞ্চটা এক। চরিত্রগুলো ভিন্ন ভিন্ন। কখনো আবার একাধিক চরিত্রে এক‌ই অভিনেতা। কি বিচিত্র সময়ের রূপান্তর! সব‌ই সময়ের খেলা! সময় তার আপন গতিতে, আপন নিয়মেই এগিয়ে চলে। তুমি শুধু তাকে অনুসরণ করে ছোঁয়ার চেষ্টা করে যাও। বেশ, এগিয়ে চল সময়ের সাথে। শিখর ছুঁতে হবেই তোমায়... ©️ অর্ণব ১১ ই অগাস্ট ২০২০, মঙ্গলবার।

আমার প্রথম সার্জারি ( Atlantoaxial Dislocation ) , ৭ই আগস্ট ২০০১, মঙ্গলবার,

    আমার প্রথম সার্জারি ( Atlantoaxial Dislocation ),    ৭ই আগস্ট ২০০১, মঙ্গলবার,    প্রাণে_ফেরা, দীর্ঘকালীন প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার মতো ব্যবস্থা যেদিন এই প্রাণটার জন্য সহায়ক হয়েছিল। একটা প্রাণ অন্তত বেঁচে গিয়েছিল! না হলে আজ এই লেখাটুকুও অন্তত সে লেখার কথা ভাবতেও পারত না! সেই প্রাণটা আমি! আজ থেকে ১৯ বছর আগে, ২০০১ সালের ৭ই আগস্ট মঙ্গলবার। ভেলোরের C.M.C. তে আমার প্রথম সার্জারির ( দ্বিতীয় সার্জারি ১৪ই আগস্ট ২০০১, মঙ্গলবার। ) দিন আজ। মজার কথা, আমার জীবনে দু দুটো বড় সার্জারি‌ই আমার জন্মদিনের দিন ( ১২ই ডিসেম্বর ১৯৮৯, #মঙ্গলবার। মূলত বারটা )।  ওই সময় দাঁড়িয়ে শতকে একটা ওই সার্জারি হয়। বাঁচেও খুব কম জন। বাঁচলেও শারীরিক বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি নিয়ে। প্রসঙ্গত, আমার আজকের শারীরিক অবস্থার সাথে সার্জারির কোনভাবেই কোন যোগ নেই। দুটি সম্পুর্ন ভিন্ন মেরু। আমার সার্জারি নিয়ে লিখতে গেলে অনেক অনেক উপন্যাস হয়ে যাবে হয়তো। হাজার হাজার স্মৃতি। কোনটা লিখব, কোনটা লিখব না সেটাই ভেবে ঠিক কলতে করতেই পাতার পর পাতা শেষ হয়ে যাবে 😀। না আজ বেশি লিখব না। তবে বলব ক...

আমার_নীরব_সঙ্গীর (◼️ KM - 5000 ) - এর সাথে চার বছর, চার বছুরে উদ‌্‌যাপন,

Image
আমার নীরব সঙ্গীর,  ( নিখিল কাকু এই শব্দটা উপহার দিয়েছিলেন আমায়। অনেক ভালো লেগেছিল। এটাই বলি ) ইতিকথা। ◼️ KM - 5000 - এর সাথে চার বছর, চার বছুরে উদ‌্‌যাপন, স্মৃতিচারণ, এক টুকরো লেখা, একটি ছোট্ট উপহার ওর ( ◼️ KM - 5000 / নীরব সঙ্গীর ) জন্য -  বহুদিনের স্মৃতি ঘেঁটে ঘেঁটে, হাতড়ে হাতড়ে লেখাটা সত্যিই খুব চাপের ব্যাপার আমার কাছে। আর‌ও চাপ হয়ে যায়, যখন সেই স্মৃতি খুঁজে দেখার মতো বা খুঁজে পাওয়ার মতো সেই অর্থে তেমন কোন কিছুই, যেমন, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি অবশিষ্ট থাকে না। বাঃ থাকলেও খুবই সীমিত। তাও, এই স্মৃতি নিয়ে ঘেঁটে ঘুঁটে, হাতড়াতে হাতড়াতে লিখতে বেশ ভালোই লাগে। বলা যেতে পারে, কখনো কখনো কিছু ক্ষেত্রে জীবনে ক্ষণিকের এক চরম প্রশান্তি বয়ে আনে তা! ২০১৬ - এর আগের বছর গুলো ( মূলত ২০০১ থেকে ৬ আগস্ট ২০১৬। একটা রেফারেন্স লিংক দিলাম এখানে -  https://www.facebook.com/arnabkumarhalder/posts/1945551022210904 )  নিয়ে তেমনভাবে হয়তো কথা বলতেই পারব না। বেশ গোলমেলে স্মৃতি। ঘেঁটে ঘুঁটে নিয়ে আসা ভীষণ মুশকিলের। আগেই বলেছি, এই মুশকিলটা আর‌ও অনেক বেশি হয়ে দাঁড়ায় তখন, যখন সেই অর্থে কোন ...

ভুল ভাবনার আড়ালে

আমরা যা দেখছি, আমরা যা বলছি, আমাদের যতোটুকু সর্বোচ্চ জ্ঞানের পরিধি বা সীমাবদ্ধতা, তার বাইরেও তো কিছু পারে! যেখানে মানবজাতি বিজ্ঞান হয়তো এখনও পৌঁছতে পারেনি! মনে হয় তার খোঁজ পাওয়া অসম্ভব!   - ©️ অর্ণব       ৫ই আগস্ট ২০২০, বুধবার।

প্রশ্নের বিপরীতে

প্রশ্নের_বিপরীতে আজকে দিনটা, অগোছালো বুনন - রাতে ভালো ঘুম আসে না বলে বা রাতে ভালো করে প্রাণ ভরে ঘুমোতে পারব বলে দুপুর বেলাতে তো ঘুমোই না বহুদিন থেকে। অনেক দিনের অভ্যাস। বিশেষ করে ২০০১ সালে আমার দু দু'টো সার্জারি হয়ে আসার পরে থেকে। তারপর তো পড়াশোনা, বাড়িতে থাকা। সারাদিন পড়াশোনা করেই কাটানো। এরপর ফ্রিল্যান্সিং করে রোজগার করার প্রতিযোগিতায় নামা। কতো বড় বড় দুপুর তো কেটেই গিয়েছে না ঘুমিয়ে। কিছু রাত‌ও তাই। বিগত কয়েকমাস দুপুরে না ঘোমালেও, যতোই রাতে ঘুমাতে যাই না কেন, ঘরের দেওয়ালে ইলেকট্রিসিটির বোর্ডের সেই লাল রঙের মিটমিট করা আলোর দিকেই তাকিয়ে এক দৃষ্টিতে। অজানা অচেনা গল্পেদের ভিড়। চেনাও হতে পারে! হাসি, ঠাট্টা, মশকরা, তামাশা, দুঃখ, বেদনা, রাগ, অভিমান, আনন্দ, কান্না, আর যেন কি কি আছে? হয়তো জানি। মনে পড়ছে না এই মুহূর্তে! এভাবেই অনেকটা সময়। অনেকটা সময়... এক দৃষ্টিতে... অবশেষে ঘুম আসে। নিশ্চিন্ত হোই। প্রাণের আরাম! শান্তি। হারিয়ে যাই এক সংজ্ঞাহীন ঠিকানায়। সময় না জানা আবার এক সকাল হয়। ঘুম ভাঙে। বুদ্ধিমান কৌশলে শুরু হয় নিজেকে ব্যস্ত রাখার এক চরম প্রতিযোগিতা। স...