Posts

Showing posts from April, 2021

পথের মাঝে অন্ধকারে...

যদি ঝড় নেমে আসে হঠাৎ করে? পথের মাঝে অন্ধকারে? কতটা প্রস্তুত আমি আকস্মিক দুর্যোগকে সামাল দেওয়ার জন্য... কতটা প্রস্তুতি শেষ হলো আমার... চলছে, চেষ্টার কোন ত্রুটি নেই... তাহলে আমি কি দূর্বল? না, আসলে আমার মতো সাহসী মানুষ খুব কমই আছে... আমি প্রচন্ড সাহসী বলেই ২০২১ পর্যন্ত এসেও সামনে এগিয়ে চলছি... জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমার এই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে...   ( ২৯ এপ্রিল ২০২১)

বৃষ্টি ছুঁয়ে...

মেঘ করুক, বৃষ্টি আসুক। হিমেল বাতাস প্রবাহিত হোক। আলসেমি করে সময় কাটাব,  বৃষ্টি ছুঁয়ে...

বাকি রাস্তাটা মসৃণ হোক...

বাকি রাস্তাটা মসৃণ হোক সুন্দর হোক প্রতিটা সময়, চলো যাই উড়ে দুই পাখা মেলে শেষটুকু হোক আনন্দময়...    - অর্ণব       ৩১ চৈত্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ      (১৪ এপ্রিল ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ)

ফিরিয়ে দিতে পারবে আমায় আমার শুরুর ধাপ...

এই রাস্তার কাছে, আমার অনেক খুশি আছে। এইখানেতে হারিয়ে গেছে আমার পায়ের ছাপ... যখন এখান দিয়ে চলি, এই রাস্তাকে বলি। ফিরিয়ে দিতে পারবে আমায় আমার শুরুর ধাপ...

খুশিই আছি আমি

  স্কুল শেষে বাড়ি ফিরে এমন বিকেল বেলা, ফুল তোমার মনে পড়ে হাসি খুশির মেলা... ? আমার মনের যত কথা সব‌ই তোমার কাছে, অনেক আদরে বাঁচিয়ে রেখেছো ভালোবাসায় আছে! ফুল তুমি সব‌ই জানো সব‌ই বোঝ তুমি, বলো ফুল মন জুড়িয়ে এবার আমি শুনি! বলো ফুল কেমন আছো? কেমন আছো তুমি! ফুল তুমি খুশি থাকো, খুশিই আছি আমি...

ঘরে বসে বসে মন খারাপ...

  ঘরে বসে বসে মন খারাপ। ভাবলেন, বাড়ি থেকে বের হয়ে কাছাকাছি থেকে একটু ঘুরে আসি। ঘুরে আসলেন। একদিন দুইদিন তিনদিন এভাবেই চললো। কাছাকাছির সব দেখা শেষ। এতে আর মন ভরছে না। এবার আরো একটু দূরে কোথাও যাওয়া যাক। জেলা, রাজ্য, দেশ। সব দেখা শেষ। এখন এগুলো‌ও সব চেনা। কেমন যেন একঘেয়েমি লেগে যাচ্ছে। এবার বিদেশ। দেশ ছাড়িয়ে ভিন্ন ভিন্ন দেশে ঘুরতে লাগলেন। একটা সময় তাও শেষ হল। এখন গোটা পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় সবটাই আপনার পরিচিত, চেনা, ঘরের দাবার মতো একঘেয়ে হয়ে উঠেছে। এবার ভাবলেন। আচ্ছা কোন কিছু বাদ পড়ে গেল না তো। আরেকবার পুনরায় ঘোরা যাক তাহলে। যদি কিছু বাদ পড়ে যায়। এবার জঙ্গল, পাড়ার, সমুদ্র, সব, সবকিছু নিখুঁতভাবে দেখলেন জানলেন। ব্যাস, এবার পুরো পৃথিবীর স্থলভাগ, জলভাগ আপনার চেনা জানা ঘরের দাবা এবং একঘেয়েমি হয়ে উঠেছে। কী করা যায়? এবার মহাকাশে গেলে কেমন হয়? কিন্তু সে তো অনেক কাহিনী... মঙ্গলে আপাতত জমিটা কিনে রাখলেন। সেখানে যাওয়ার জন্য নাকি অনেক আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হয়। এ মুহূর্তে আদৌ তার সম্ভব হবে কিনা জানা নেই। তবুও একটা স্বপ্ন আছে। স্বপ্ন দেখতে দোষ নেই... আপাতত কবিগুরুর সেই বিখ...

জানতাম না...

জানতাম না... যখন জানালে, জানলাম... তার অনেক আগেই আমি অজানা অচেনা বন্ধুর এক পথে প্রবেশ করে গেছি... যেখানে প্রতিমুহূর্তে প্রতিকূলতা, অনিশ্চিয়তা... তবে কোন প্রতিযোগিতা নেই, হিংসা নেই, দুঃখ নেই, লড়াই কিংবা যুদ্ধ নেই। আছে কেবল ভালোবাসা, প্রেম... হয়তো তুমি ক্লান্ত হয়ে হাঁপিয়ে উঠতে!  পারতে না... হয়তো হারিয়েও যেতে পথের মাঝে... জানতাম, তাই এ পথের সঙ্গী করিনি তোমায়... খুব ভালো থাকো, সবাই...

নদীর এপার ওপার

নদীর এপার আর ওপার। এপারে অনেক স্বাচ্ছন্দ্য, সুখে শান্তিতে পরিপূর্ণ। ওপারে শুধুই দুঃখ, কান্না, প্রতিনিয়ত ত্যাগ। সুখ বলতে কিছুই নেই। এক ব্যক্তি ঘটনাক্রমে নদীর এপার থেকে ওপারে পৌঁছে গেছেন হঠাৎ করে। তিনি জানতেও পারেনি। দিন যায়, দিন যায়। সময় চলতে থাকে। তিনি ভাবেন, আর কিছুদিন ওপারে কাটিয়ে দিলেই এপারে ফিরে আসবেন আবার। দিন যায়, দিন যায়। সময় এগিয়ে চলে। ওই ব্যক্তি একদিন জানলেন নদীর ওপার থেকে এপারে হয়তো আর আসা যাবে না। কারণ সময় যত এগিয়ে চলছে। এপারে ফিরে আসার পথ ততোই কঠিন হচ্ছে। প্রায় মানুষ লোকটাকে বলেন, এপারের ভাবনা ছাড়েন। ওপারেই সবকিছু মানিয়ে নিন! থেকে যান আনন্দে...  আচ্ছা, ওই ব্যক্তি যদি প্রথম থেকেই ওপারে থাকতেন? এপারে সুখ শান্তির খোঁজ যদি তিনি না জানতেন কখনো। তাহলে তো সহজ হতো। তাহলে তো তিনি ওপারেই খুশি থাকতেন, ঠিক এপারের মতো। এপারের কথা মাথাতেই আসতো না তাঁর। কারণ তিনি দুপারের পার্থক্য বুঝতেন না। তুলনা করতেন না। যিনি প্রথম থেকেই ওপারে আছেন। এপার সম্পর্কে যাঁর কোন ধারনা, অনুভূতি কিংবা অভিজ্ঞতাই নেই। তিনি তো প্রথম থেকেই সুখী। ওপারে দুঃখ মানেই সুখ। তিনি দুপারের পার্থক্য জানেন না...