Posts

Showing posts from November, 2020

তোমাদের শুভ ইচ্ছায়

  বরাবর মিশুকে একজন। সবার সাথে সহজ মনে হেসে খেলে কথা বলা। স্কুল পাঠশালা। হঠাৎ সময় বদলে গেল, সময় বাধ্য করল নিজেকে গুটিয়ে নিতে, সবার থেকে! কষ্ট হয়নি! গুটিয়ে নিয়েছি নিজেকে! একলা ঘরের কোণে নিস্তব্ধ নির্জনতায় তীব্র শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়েও হাসিমুখে নিজেকে দিনের পর দিন গড়ে তুলেছি, পড়াশোনা করেছি, প্রস্তুত করেছি আগামীর জন্য! ঘুরে দাঁড়িয়েছি। সমাজে নিজের একটা সামাজিক পরিচয় আদায় করে নিয়েছি। সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসার চেষ্টা করেছি। মানুষের সাথে মিশেছি, তবে খুবই সাবধানে! কারণ, অর্ণবকে অনেকেই আর অর্ণব ভাবেনা যে! তাদের লজ্জা করে অর্ণবের সাথে মিশতে, পরিচয় দিতে! বুঝতে পেরেছি, নিরব থেকেছি! তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যখন গিয়েছে আগামীর কথা ভেবেই প্রতিবাদ করেছি! জানি না, সেটাকে অপরাধ সংজ্ঞায়িত করা যায় কিনা! আমিতো নিজের মতোই থেকেছি! কাউকেই অযথা বিব্রত করিনি। তবে যারা আমার সাথে পরিচয় করতে চেয়েছে, পরিচয় রেখেছে, যথাযত সম্মান করেছে, ভালোবেসেছে। কাছে টেনে নিয়েছি। আমিও ফিরিয়ে দিয়েছি তাদের প্রাপ্য সম্মান, ভালোবাসা। আমার সাথে না মিশতে চাওয়া মানুষগুলোকে নিয়ে চিন্তা...

It's always changing

  May this is not the right time to write these random thoughts. But. Still, 2020 is not real for me. Felling like, this year is going through unconsciously. Till think, this year is not 2020. Lots of unexpected negative change has happened. It's never called a year. Never think that I have to meet with 2020 in my life. This year is not mine. May, not know that at the end of this year I will be there or not. I know it sounds crazy. Yep, I don't know. But still say, life is a beautiful journey. Some beautiful things are also happening behind you. Some beautiful minded people are there. Love them, respect them. Love life and enjoy it. The time is going on. It's always changing to the next level. Trust on it. - ARNAB 13.11.2020

Time is always changing with you

  Time is always changing with you. Trust it. Accept it as it is. Believe in your time. Do honest work as always. Love yourself. Spread the love for those who need it. Spread the love for those who trust and respect in peaceful love. Blessings are all around you. You can feel it. Even you can touch it too. Time is changing with you. Trust it. Accept it as it is. Believe in your time. Trust in yourself. Go ahead. - ARNAB 12.11.2020

ইচ্ছে শক্তি -

  অর্ণব যে আজ খুব সহজে ডায়েরি, সোশ্যাল মিডিয়া বা অনলাইন ব্লগের পাতায় লিখে চলে। সোশ্যাল মিডিয়া, অনলাইনে বিভিন্ন কাজ বা মনের আনন্দে মাঝে মধ্যে গান গেয়ে ওঠা। স্মার্টফোন, কম্পিউটার বা ইন্টারনেটের ওপর তার যে অনায়াস বিচরণ। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিটা মানুষের সাথে এই যে সে আজ প্রতিমুহূর্তে যোগাযোগ করতে সক্ষম হচ্ছে। হয়তো এতোটুকুও একটা সময়ের (২০০১ এর পরে ) পর তার কাছে স্বপ্ন ছিল‌। অনেকে এই সময় বা সুযোগটাও পায়নি হয়তো। কেউবা হয়তো সু্যোগ পেয়েও অবহেলা করেছে। তোমার কাছের মানুষজন, পরিবার, আত্মীয় তথা তোমার শুভাকাঙ্ক্ষীরা তোমাকে সবরকমের সাপোর্ট দিতে হয়তো পারে। কিন্তু নিজের ইচ্ছে শক্তিটাই আসল। ওটা ছিল বলেই আজ অর্ণব ২০২০ তেও বেঁচে আছে আর এগিয়ে চলার চেষ্টা করতে পারে.. ©️ অর্ণব ৫ই নভেম্বর ২০২০

প্রত্যন্ত গ্ৰামের একজন মানুষ আমি

  প্রত্যন্ত গ্ৰামের একজন মানুষ আমি। সাদামাটা জীবন।প্রথমে মা, তারপর গ্ৰামের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু। যেমনটা হয় আরকি। হাসতে খেলতে বেড়ে ওঠা লুকোচুরি, গুলি, আর কুমির ভাঙা খেলার সাথে। একদম আকস্মিকভাবে নয়। জীবনের চলার পথটা ধীরে ধীরেই কখন যে সম্পূর্ণ বদলে গেছে বুঝতেই পারিনি। আমার পড়াশোনা (খুব একটা খারাপ ছাত্র নয় আমি😊), ভালোলাগার কাজগুলো নিয়ে কাজ করা, সেগুলোকেই জীবিকা হিসেবে নেওয়া, এমন অনেক অনেক অনে-ক কিছুর ইচ্ছে ছিল। একটাও পূরণ হয়নি। একটাও নয়। প্রতি মুহূর্তে আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আমাকে চলতে বাধ্য করেছে "সময়" "পরিস্থিতি"। তিন তিন বছর ক্লাসে গ্যাপ! মেধার জন্য নয়। পড়তেই তো পারিনি। ডাক্তার আর হসপিটাল করে করেই তো কেটে গেছে! লজ্জা, জুনিয়র ভাইবোনদের সাথে পড়া। যদিও স্কুল যাওয়া হয়নি সেভাবে। বাড়িতেই পড়ে পরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। https://www.facebook.com/arnabkumarhalder/posts/1945551022210904 মাধ্যমিকে ভালো ফলাফল বা উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ার মতন উপযুক্ত ফলাফল করেও আমি বিজ্ঞান বিভাগে পড়তে পারলাম না। খুব ইচ্ছে ছিল বায়ো সাইন্স নিয়ে পড়ার। ডা...

আসুন বাঁচি হাসিমুখে 😊❤️🙏..

  বেশ কিছুটা অনুমান করা মৃত্যুর থেকেও দুর্বোধ্য আগামীর কঠিন থেকে কঠিনতর সংগ্ৰামী জীবন ও নির্মম বাস্তবতার কথা হয়তো যার জানা, মানসিক ও শারীরিক প্রতিনিয়ত তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে বর্তমান সময়টাতেই সদাসর্বদা হাসি মুখে যে বেঁচে রয়েছে, জগতের সেরা সেরা দুঃখ কষ্ট হয়তো একাই যে ধারণ করেছে। তার কাছে দুঃখ করো না, কষ্টের প্রকাশ করো না। সে যদি চায় তাহলে সে নিজেই আমাদের দুঃখ কষ্ট‌ও ধারন করবে! তার কাছে দুঃখ করে, কষ্ট প্রকাশ করে এই জগতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিও না। হাসি মুখে সে প্রতিনিয়ত প্রতিমুহূর্তে যে বেঁচে আছে, সেটাই এ জগৎ তথা আমাদের বেঁচে থাকার অনেকটা শক্তি.. ©️ অর্ণব ৪ঠা নভেম্বর ২০২০

"বেঁচে থাকা"

  "জীবন মানেই লড়াই" - কথাটা আমাদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়, এক কথায় গ্ৰহনযোগ্য‌ও বটে। কঠিন সহজের সাথে কিছু এসে যায় না! লড়াই মানে, কঠিন‌ই হয় এমনটাতো নয়। লড়াই মানে সহ‌জ‌ওতো হতে পারে। ধর্ম, বিজ্ঞানের জটিল ব্যাখ্যা দিয়ে নয়, জীবনের পরখ করা অভিজ্ঞতা, নিজের জীবন দর্শন দিয়ে, নিজের মতোই জীবনটাকে বোঝা এবং তাকে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করলেই জীবনের প্রাপ্তি। জীবনটাকে যে যেমনভাবে দেখছে, পরখ করছে, তার কাছে জীবনের অর্থ তেমন‌ই। "জীবন মানেই লড়াই" - এমনটাতো নয়। জীবনের অর্থ, নিঃশব্দে, নির্বাক, লিখিত রূপে প্রকাশ হয়ে হাসিখুশিতে বেঁচে থাকাও হতে পারে‌। জীবনের অর্থ "বেঁচে থাকা"। তোমার ইচ্ছেতে পালিয়ে যাওয়া জীবনের অর্থ কখনো‌ই নয়। জীবনের শেষ পর্যন্ত তোমাকে অংশগ্রহণ করতে হবে এই ভ্রমণে। সেটাই জীবনের উদ্দেশ্য, অর্থ, জীবনের সার্থকতা। তোমার নিঃশেষ জীবনের নিয়মেই। সেখানে অযথা হস্তক্ষেপ করো না। লাভ নেই। জীবনের অর্থ "বেঁচে থাকা"। হাসিখুশিভাবে শুধুই "বেঁচে থাকা".. - অর্ণব ৩রা নভেম্বর ২০২০

অভিযোগ নেই

মাত্র কয়েক সেকেন্ড পরে ঠিক কি ঘটবে তুমি নিজেও তা জানো না। আমিও না। আমরা কেউ-ই জানিনা। তবে বর্তমানকে আমরা খুব ঠাণ্ডা মাথায় ধীরে সুস্থে যদি নিয়ন্ত্রণ করতে চেষ্টা করি তাহলে অন্তত কয়েক সেকেন্ড পর ভালো কিছু হলেও হতে পারে। কাছের আর আপনজনের ভালো কে না চায়। সময় আর পরিস্থিতি আমাদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও বেশ কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করায়। ভালো কিছু, শুভ কিছুর আশায় আমরা তা নিয়েও ফেলি মাঝে মধ্যে। অন্ধ ভালোবাসা, বিশ্বাস আর অল্প সময়ের সিদ্ধান্ত জীবনের ওপর ভীষণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে মাঝে মধ্যে। তোমার জীবনের সিদ্ধান্ত তুমি তখনই নিতে পারবে যখন তুমি সেই উপযুক্ত সময়ে প্রবেশ করবে। তার আগে সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার সময়ের নিয়মেই। যদি তুমি এখন বুঝতে পারো যে সেই সিদ্ধান্ত তোমার জীবনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তারপরেও অভিযোগ করো না। জেনো, তোমার আপনজন কাছের মানুষ সবসময় তোমার জন্য‌‌ই তাদের প্রাণ দিয়েও লড়াই করেছে। তাদেরকে তাদের প্রাপ্য সম্মান আর ভালোবাসাটুকু দাও। অভিযোগ সময়ের কাছে করতে পারো। সেই-ই অভিযোগ আর কারোর দিকেই নয়। সময়েই সবকিছু হয়। সে যদি চায়। আজ যে তুমি খসখস করে স্মার্টফোনের ওপর...