তোমাদের শুভ ইচ্ছায়
বরাবর মিশুকে একজন। সবার সাথে সহজ মনে হেসে খেলে কথা বলা। স্কুল পাঠশালা। হঠাৎ সময় বদলে গেল, সময় বাধ্য করল নিজেকে গুটিয়ে নিতে, সবার থেকে! কষ্ট হয়নি! গুটিয়ে নিয়েছি নিজেকে! একলা ঘরের কোণে নিস্তব্ধ নির্জনতায় তীব্র শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়েও হাসিমুখে নিজেকে দিনের পর দিন গড়ে তুলেছি, পড়াশোনা করেছি, প্রস্তুত করেছি আগামীর জন্য! ঘুরে দাঁড়িয়েছি। সমাজে নিজের একটা সামাজিক পরিচয় আদায় করে নিয়েছি। সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসার চেষ্টা করেছি। মানুষের সাথে মিশেছি, তবে খুবই সাবধানে! কারণ, অর্ণবকে অনেকেই আর অর্ণব ভাবেনা যে! তাদের লজ্জা করে অর্ণবের সাথে মিশতে, পরিচয় দিতে! বুঝতে পেরেছি, নিরব থেকেছি! তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যখন গিয়েছে আগামীর কথা ভেবেই প্রতিবাদ করেছি! জানি না, সেটাকে অপরাধ সংজ্ঞায়িত করা যায় কিনা! আমিতো নিজের মতোই থেকেছি! কাউকেই অযথা বিব্রত করিনি। তবে যারা আমার সাথে পরিচয় করতে চেয়েছে, পরিচয় রেখেছে, যথাযত সম্মান করেছে, ভালোবেসেছে। কাছে টেনে নিয়েছি। আমিও ফিরিয়ে দিয়েছি তাদের প্রাপ্য সম্মান, ভালোবাসা। আমার সাথে না মিশতে চাওয়া মানুষগুলোকে নিয়ে চিন্তা...