Posts

Showing posts from May, 2021

গল্প...

সত্যি কি তাই? অনে-ক অনেক গল্প আছে?  তাহার কাছে... গল্প লেখার সময় হয়নি এখনও! রাত কাটুক, ভোরের আলো আসুক... রাতজাগা চোখে, প্রত্যয়ী মুখে! সেদিন থেকেই গল্প লেখা শুরু হবে...   ৩১ মে ২০২১

চুপ করে আছি...

চুপ করে আছি। আসলে আমি জানিও না আমার ঠিক কি করা উচিত। কি করব... কাকে বলব... কীভাবেই বা বলব... কে শুনবে আমার কথা? শুনে করবেটাওবা কী? জানি, লেখা মানে সময় অপচয়... তবুও লিখি... কেন লিখি? কিজন্য লিখি? এর কোন উত্তর নেই...   ৩০ মে ২০২১

অবাক হ‌ই না, করে এখন সবকিছু কত সহজ আমার কাছে...

ফোন, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, ইন্টারনেট, যোগাযোগ... পড়াশোনা, কাজ, কেরিয়ার পরিকল্পনা... এখন কত্ত সহজ সবকিছু! দুনিয়া পুরো হাতের মুঠোয়... অন্তত ১০ টা বছর পরে জন্ম নিয়ে যদি এই সময়টার মধ্যে দিয়ে চলতাম, তাও অনেকটা নিশ্চিন্ত থাকতাম! এত-টাও কষ্ট হতো না আমার... আমার কাছে সবকিছু থেকেও, সময়, পরিস্থিতি আমাকে খুব কম‌ই সাথ দিয়েছে! কত সুযোগ আমি হাতছাড়া করতে বাধ্য হয়েছি একাধিকবার। কিচ্ছু করার ছিল না... আজ‌ও কত সুযোগ চারিদিকে, কত কিছু করার আছে... অথচ, আমার কাছে সময় এবং অনুকূল পরিস্থিতি আজ‌ও নেই! আমার কাছে সবকিছু থেকেও আজ আমি নিঃস্ব, নিরুপায়, অসহায়! একটা হুইলচেয়ার নিয়ে প্রতিকূল সময়ের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে অবিরাম দৃপ্ত কণ্ঠে এগিয়ে চলা আসলেই কোথাও গিয়ে বে-শ কঠিন! আর আমাকে সেটাই করতে হয়েছে, আমাকে সেটাই করতে হয় প্রতিনিয়ত! না হলে অনেক আগেই জীবন থেমে যেত... আমার কাছে এখন কোন বিষয় আর অবাক কিংবা কঠিন মনে হয় না। সবকিছু কত সহজ আমার কাছে। শুধু জীবনে খুশি হয়ে নিজেকে টিকিয়ে রাখাটাই‌ আমার কাছে সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ...    ৩০ মে ২০২১

প্রকাশ পায় না...

ট্যালেন্ট সবার আছে। কারোর বেশি কারোর কম নয়। আমি তেমন মনে হয়নি কখনও। যিনি একজন  কৃষক, অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা যাঁর তেমন নেই, সঠিক পদ্ধতিতে সঠিক সময়ে সঠিক দিশায় এগিয়ে যাওয়া, প্রথাগত পড়াশোনা থেকে শুরু করে বড় বড় ডিগ্ৰি অর্জন করার সুযোগ যিনি পাননি, যাঁর জন্য সময় প্রতিকূল হয়েছে প্রতিনিয়ত! তিনিও আজ একাধিক গবেষণা পত্র লিখে ফেলতেন কৃষিক্ষেত্রের উপর। যা নিয়ে হয়তো ভাবতে হতো আজকের তাবড় তাবড় গবেষকদের... প্রতিভা সবার থাকে, সবার মতো... কিছু প্রতিভা সুযোগ পায়, সময় পায়, প্রকাশ পায় বিশ্ব জুড়ে। কিছু প্রতিভা সুযোগ পায় না, সময় পায় না, প্রকাশ পায় না। আবার, কিছু প্রতিভা সুযোগ পাক কিংবা না পাক প্রকাশ করতে চায় না... "মানুষ অভ্যেসের দাস", এ চলতি কথাটা একেবারেই বেমানান লাগে কখনও কখনও...    ৩০ মে ২০২১

জানতাম না...

ছোট ছিলাম ভালো ছিলাম। কিছু বুঝতাম না, জানতাম না। কোথাও কোন চিন্তা ছিল না... বড় হয়েই হয়েছে যত সমস্যা। তার উপর এই হুইলচেয়াটা এক অতিরিক্ত চাপ, এই আরকি... সবকিছু প্রতিনিয়ত ব্যালেন্স করে চলা আসলেই অনেক অনেক অ-নেক কঠিন! কখন‌ও কখনও প্রায় অসম্ভব‌ও বটে...    ৩০ মে ২০২১

জীবনের আগাম পরিকল্পনা...

সে অর্থে জীবনের আগাম পরিকল্পনা করা বন্ধ দিতে হয়েছে বহু বছর আগে থেকেই। কারণ, জীবনের আগাম পরিকল্পনা করলে আমার পক্ষে আজ‌ও জীবনে টিকে থাকা হয়তো সম্ভব হতো না। তারপরেও মাঝে মাঝে নূন্যতম পরিকল্পনা তো করাই লাগে। ২০২১ এ এসে দাঁড়িয়ে, খুব সহজে বাস্তবে যদি জীবনের রিক্যাপ এবং আগাম ছবিটা একবার দেখি... ১৯৮৯ এ পৃথিবীতে আসা... ১২ বছর মসৃন পথ চলা। ২০০১ থেকে জীবন প্রতিকূল পরিস্থিতির দিকে সম্পূর্ণ বিপরীতে মোড় নিতে শুরু করা, জীবন সংগ্রাম... অচেনা পথ, অজানা জগৎ, ঘুটঘুটে অন্ধকারে অবিরাম কান্না করতে করতে এগিয়ে চলা। পড়াশোনা, কাজ, চাকরি, অর্থনৈতিক সংস্থান... জীবনের ৩২ বছর চলমান... খুব বেশি হলে আগামী আর ৩০ বছর হয়তো টেনেটুনে জীবনে পাবো... আগামী ৫ বছরের মধ্যে একদম একা পথ চলার জন্য আমাকে যেভাবে হোক নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করতেই হবে। যদি পারি, ভালো। না হলে, আসলেই আমার জানা নেই পরবর্তী সময়টা আমি কীভাবে সামাল দেব সবকিছু! জীবনকে কখনও কোনও পরিস্থিতিতে ভয় পাইনি আমি। পাই না, পাচ্ছি ও না। তার চোখে চোখ রেখে কথা বলার ঢের অভিজ্ঞতা আছে আমার। তবে আগামীর সময়টা বে-শ অন্যরকম, এই আরকি? আমি শেষ পর্যন্ত‌ই আছি! দেখাই যা...

ডায়েরির পাতা...

মাথাটা ইদানিং ভীষণ ভার হয়ে আসে! কেমন যেন এক অস্বস্তি সারাক্ষণ। কোন কাজে মন বসে না। পড়াশোনা করতে ভাল্লাগে না, করলেও কিছু মনে থাকে না। খেলাধূলা, মুভি দেখা, গান,  কবিতা, আঁকাআঁকি... সবকিছুতেই কেমন যেন চঞ্চলতা... ধ্যান করা কতদিন হলো বন্ধ দিয়েছি। তাতেও এখন মন শান্ত হয় না... শুধু মনে হয়, পাগলের মতো অগোছালো লিখি... কোথায় বানান... কোথায় শব্দ চয়ন, কোথায় ব্যাকরণ, মাথায় থাকে না... নিয়মের বাঁধ ভেঙ কী লিখি, কেন লিখি নিজেই হয়তো জানি না! একের পর এক ডায়েরির পাতা...       ২৮ মে ২০২১

সাদা পাতা...

সাদা পাতা, অগোছালো লেখালেখি! সুর-ছবি-আঁকিবুকি... কিছু প্রাণ জেগে আছে... চোখ বুজে জেগে আছি! ছুঁয়ে থাকো, ছুঁয়ে আছি... খুশি মনে ভালো আছি,  বেঁচে আছি...    24 may 2021

চেষ্টা করছি সময়টাকে কাটিয়ে ওঠার...

  ডাক্তার হবো। অনে-ক বড় ডাক্তার। পাশাপাশি গান, আঁকাআঁকি, লেখালেখি, শিল্প চর্চা চলবে। অনেক অর্থ আয় করব। তবে বিলাসবহুল জীবনযাপনে সেই অর্থ ব্যয় হবে না। সে অর্থ আসলেই দেব অসহায় মানুষের প্রয়োজনে। পড়াশোনা করতে বিদেশ যদি যেতেই হয়, যাব। তবে দেশে ফিরবোই। গ্ৰামে ফিরব। জীবনে বড় হবো। জ্ঞান অর্জন করব। মানুষের মতো মানুষ হবো। অসহায় মানুষের প্রয়োজনে নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করব পাশে থাকার... এমনিতেই একটা সময় পর থেকে আমি কত দেরিতে চলছি সময় থেকে! কেরিয়ার নিয়ে প্রায় সব পরিকল্পনাই আমার অন্য পথে মোড় নিয়েছে বরাবর। শুধু কান্না আর এগিয়ে চলা... UG তে গ্যাপ গ্যাপ গ্যাপ গ্যাপ গ্যাপ গ্যাপ.... History Honours এর 3rd sem শুরুর সময়েই হঠাৎ চাকরিতে ঢুকে যাই ২০১৭ তে। তারপর চাকরি, কাজ নিয়েই সবটা সময়। চাকরি করছি মাত্র ৪ বছর। শুরুর সময়গুলো কাজের ভয়ংকর চাপ গেছে। চাপ গেছে নিজের শরীরের উপরেও! নিজের শারীরিক চ্যালেঞ্জটাও যে অতিরিক্ত চাপ আমার জন্য! ভেবেছিলুম, চাকরিটা কিছু বছর হলে বাসার কাছাকাছি বদলি নেব। সময় পাব, সুবিধা হবে। চাকরি করতে করতেই উচ্চশিক্ষাটা নিয়ে আবার ভাববো, শুরু করার চেষ্টা করব ধীরে ধ...

বলব আমি নীরব কথা

  তোমার কাছে, আমার অনে-ক ছবি আছে! প্রাণের শহর কলকাতা... দুপুর বেলায়, কিছু ছবি-গল্প দাও আমায়! বলব আমি নীরব কথা...   22th may 2021

চোখ বুজে জেগে আছি

  দৃঢ় বিশ্বাসে, অসীম সাহসে, জীবনের আর‌ও এক রাতের মধ্যে প্রবেশ করলাম। চোখ বুজে জেগে আছি, সামনের আলোর পথ দেখব বলে... 21th may 2021

আমার জায়গায় যদি আপনি থাকতেন, আপনি অনেক আগেই থেমে যেতেন

  যে মানুষটার দু'টো হাত নেই, দুটো পা নেই, যে দুটো চোখে দেখতে পায় না, কানে শুনতে পায় না, কথা বলতে পারে না... যে শিশুটি তার মা-বাবা, তার আপন কাউকে কখনও দেখেনি, জানেনা। কিংবা অনেক আগেই তাদের চিরতরে হারিয়েছে... তাদের থেকেও কি তোমার জীবনের পথ চলা কঠিন? তাদের থেকেও কি তোমার কষ্ট বেশি? তোমার তো সব আছে... আছে মা, বাবা, পরিবার, কাছের মানুষজন... তবুও তুমি বলো এ জীবন মৌলিক-কঠিন-অনিশ্চিত???? না, জীবনের তুলনা আমি কখনও কারোর সাথে করিনি, করছিও না। সবার জীবনের পথচলা ভিন্ন। সমস্যাও ভিন্ন ভিন্ন। আমি প্রত্যেকের জায়গা থেকেই প্রত্যেকের সমস্যা জানার-বোঝার চেষ্টা করি। সবার অনুভূতি, আবেগকে সম্মান করি‌। তবে কোথাও গিয়ে, কখন‌ও কখনও কিছু ভিন্নতার মাঝেও একেবারে কিছু স্বতন্ত্র মৌলিক কিছু জীবন থাকে। আমি তাদের মধ্যেই পড়ি। আসলে আমাকে দেখে কেউ বুঝতে পারে না কিংবা আমি বুঝতে দিও না আমার আমাকে। সবাই ভাবে, এইতো বেশ... একমাত্র একজনের ( স্টিফেন হকিং ) জীবনের সাথে আমার কিছুটা ( তাও কিছুটা ) মিল খুঁজে পেয়েছিলাম... কিন্তু সময়ের সাথে সাথে দেখেছি তাঁর জীবন, পরিবেশ, পরিস্থিতি সবমিলিয়ে আমার জীবনের ধারে কাছেই নেই! আমি অ...

যদি আমার জীবনের স্বপ্ন নিয়ে কখনও লিখি

  যদি আমার জীবনের স্বপ্ন নিয়ে কখনও লিখি। মনে হবে সেগুলো স্বপ্ন নয়, আসলেই তা বাস্তব... 20 may 2021

আমাকে পারতেই হবে...

Image
  গতকাল যখন রাস্তা দিয়ে এগিয়ে চলছিলাম, কেন জানি ভীষণ ভয় করছিল আমার! ভীষণ ভয়... নিজেকে বড় একা লাগছিল যেন, ভীষণ একা... ভীষণ কান্না পাচ্ছিল! জীবনে এমন কখনও হয়নি আগে... তাহলে কি আমি... না, কখনোই নয়... আমাকে পারতেই হবে... - 18th May 2021

বেঁচে থাকা...

টাইটানিক জাহাজটা যখন গভীর সমুদ্রে তলিয়ে যাচ্ছিল! মৃত্যু যে খুব কাছেই অপেক্ষারত, এ কথা যখন সবাই বুঝতে পারছিল! জীবনের অনিশ্চয়তা যখন সবার মধ্যে অনেক বেশি করে প্রতিক্ষণে দেখা যাচ্ছিল... তখন কিছু মানুষ, আশায় বুক বেঁধে, নির্ভয়ে, দৃঢ় আত্মবিশ্বাসে, হাসিমুখে, সুর ছুঁয়ে ছিল মৃত্যুকে জয় করার জন্য... যে সুর প্রার্থনার, যে সুর বেঁচে থাকার, বাঁচিয়ে রাখার...    ( ১৭ মে ২০২১ )

সে জানতো‌ না...

সে জানতো‌ না... তাকে কে-উ কখনও বলেনি... কেউ জান‌তো‌ও না... বাচ্চাটা... এখন...    ( ১৫ মে ২০২১ )   

চোখের জল জমতে জমতে মনের ভেতরটা দগদগে হয়ে গেছে!

  চোখের জল জমতে জমতে মনের ভেতরটা দগদগে হয়ে গেছে! একটু প্রাণ জুড়িয়ে কান্না করতে ইচ্ছে করে! মনে হয়, একটু কান্না করলেই যেন শান্তি পাই! কান্না করলে তো একটু ভালোই হয়! কান্না করাটা এই মুহূর্তে হয়তো আমার ভীষণরকম দরকার‌ও! কিন্তু, কান্না করতে গিয়ে, থেমে যাই! সবাই যে দেখছে! মনে হয় লজ্জা করে! কত কত প্রশ্ন এখুনি আমার দিকে ধেয়ে আসবে! আমার কান্নার কারণ? একটা জায়গা চাই! নির্জন, নিস্তব্ধ, চিরসবুজ একটা জায়গা.. যেখানে কেউ জানতে চাইবে না, আমার কান্নার কারণ... সহানুভূতি দেখাবে‌ও না... আমি শুধুই কান্না করব প্রাণ জুড়িয়ে! সময় যত এগিয়ে চলছে, চোখের জল জমতে জমতে মনের ভেতরটা আর‌ও দগদগে হয়ে আসছে... আমি কান্না করতে চাই! ( ১৪ মে ২০২১ )

যখন ক্লান্ত হয়ে হাঁপিয়ে উঠি

  যখন ক্লান্ত হয়ে হাঁপিয়ে উঠি, কান্না করতে মন চায়! মনে হয় অনেক অনে-ক কান্না করি... খুব ইচ্ছে করে... মনে হয়, ঠিক এই বুকের কাছে এসে আটকে আছে চোখের জল... আজ‌ও আমার কান্নার শব্দ কে-উ শোনেনি, দেখেনি চোখের জল... যেদিন আমি কান্না করব, সেই চোখের জলে আমি নিজেই হয়তো হারিয়ে যাব... জানি না... ( ১৪ মে ২০২১ )

নির্জনতা বরাবরই আমার ভীষণ পছন্দের

  নির্জনতা বরাবরই আমার ভীষণ পছন্দের, নিস্তব্ধতা আমাকে শান্ত করে, একা একা থাকা, আনমনে একা একা সময় কাটানো... একাকিত্ব আমার সবসময়ের খুব ভালো সঙ্গী ছিল, কিন্তু এখন... আসলে হুইলচেয়ার নামক টুলটা সঙ্গে আছে... তাই কোথাও গিয়ে একাকিত্বতাকে উপভোগ করতে করতে গিয়েও... হে জীবন, তুমি আমায় ধৈর্য্য দাও... আরও বেশি ত্যাগী হতে শেখাও আমায়! ্শক্তি দাও... আলোর পথ দেখাও... আমি কোন দোষ করিনি... আমি চেষ্টা করছি আপ্রাণ... ( ১৪ মে ২০২১ )

যদি খুঁজে পাই...

আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের ফলাফল‌ও এখানে নেই!  তাও যদি থাকতো, তাহলেও এই অবিরাম খুঁজে চলা, কিছুটা হলেও সার্থকতা পেত... এখানে শুধুই অন্ধকার, ঘুটঘুটে অন্ধকার আর শূন্যতা! একটুও আলো নেই, কোথাও কিচ্ছু নেই... তবুও, খুঁজে চলি অবিরাম, যদি কিছু খুঁজে পাই। যদি কিছু ফিরে পাই আবার, চেনা রূপে, চেনা সময়ে...    - অর্ণব       ১৪ এপ্রিল ২০২১

এখন তো ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া হয়েছে...

  এখন তো ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া হয়েছে। এ দিবস, সে দিবস কতো কিছু ব্যাপার... যে দিবসের নাম‌ই কখনও শুনিনি, এখন সে দিবসেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করার এক প্রতিযোগীতায় লেগে পড়ি। স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়ে প্রতিযোগীতামূলক পোস্ট করতে আমার‌ও যে মন চায় না তেমনটা ঠিক নয়। আসলে সবাই করছে, তাই আমিও করব। এই চিন্তাধারা থেকেই, কে যেন এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করতে একপ্রকার বাধ্য করে‌। বাধ্য করে এই প্রতিযোগীতায় নেমে পড়তে‌‌। হয়তো আমি জানিও না, দিবসটি ঠিক কী নিয়ে, কেন, কীভাবে ইত্যাদি ইত্যাদি। অথচ একটা পোস্ট করতে হবে। সবাই করছে, তাই আমাকেও একটা কিছু পোস্ট করতেই হবে দিবসটি উদযাপনের জন্য। ব্যাস এইটুকুই জানি... বিশেষ একটি কারণে, বিশেষ একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে, একটি বিশেষ দিন উদ‌্‌যাপন কিংবা স্মরণ করার অবশ্যই আবশ্যকতা রয়েছে। রয়েছে তার ইতিবাচক দিক, উপযোগীতা, রয়েছে অসীম তাৎপর্য‌ও। কিছু বিশেষ দিন উদ্‌যাপন করতে বেশ ভালো লাগে, মন চায়। মনে হয় দিনটি উদ‌্‌যাপন না করলেই যেন দিনটি সম্পূর্ণ হলো না। আবার, কিছু বিশেষ দিনে, মনে হয় দিনটি উদযাপন করি। কিন্তু কীভাবে উদ্‌যাপন করব ?... উদ্‌যাপনের নিয়ম ঠিক ...

আজ‌ও সকালের মন খারাপ...

মুখ ভার করা আকাশ, টিপ্‌টিপ্‌ বৃষ্টি অবিরাম! আজ‌ও সকালের মন খারাপ সময় চলমান...   ( ৩রা মে ২০২১) 

অনে-টা পথ পাড়ি দিয়ে...

সময় আকস্মিক এবং অপ্রত্যাশিত ভাবে সম্পূর্ণ বিপরীতে‌ ঘুরে গিয়েছিল! বুঝতেও পারিনি... ছাত্রজীবনের বন্ধুরা যখন উচ্চশিক্ষা, কেরিয়ার নিয়ে পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত, আমি তখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুধু দিশেহারা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি জীবনকে টিকিয়ে রাখার জন্য! মা... পড়াশোনা ছেড়েই দিচ্ছিলুম, কষ্টে, তীব্র লজ্জায়..  ক্লাসের first boy আজ সময়ের ফেরে তিন তিন বছর গ্যাপ দিয়ে একেবারে জুনিয়রদের সাথে পড়াশোনা করবে.. না, বিষয়টা আসলেই ভীষণ কঠিন ছিল আমার কাছে! মা বলছিল,     "তুই যে আমার সোনা বাবা। আমার "ইমন" তো এমন নয়। সে যে আমার জীবন। সে তো সব বোঝে।নিজের পায়ে দাঁড়াতে যে হবেই তোকে! অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে। সবকিছু ধীরে ধীরে হবে। ধৈর্য্য, চেষ্টা, পরিশ্রম, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। কাউকে কোনদিন কোন ক্ষতি না করে, সৎ পথে কাজ করতে হবে, সুন্দর মনে, একজন ভালো মানুষ হয়ে হাসিমুখে এগিয়ে চলতে হবে শেষ পর্যন্ত.. বন্ধুরা যখন যে যার মতো প্রতিষ্ঠিত, অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী। আমি তখনও জানি না, আমি কিভাবে কোন দিকে নিয়ে যাব নিজেকে! কী করব... কী হবে... চাইলে শহরে মুভ করাও স...

বাস্তবতার মুখোমুখি..

বাস্তবতার মুখোমুখি হতে কখনো ভয় পাইনি আমি। বর্তমানকে গ্রহন করে নিতেও সবসময় ছিল সাহসী পদক্ষেপ। চলার পথে যে কোন পরিস্থিতিকে, সংগ্রামকেও সবসময় হাসি মুখেই গ্রহণ করে নিয়েছি বরাবর... জীবনের সমস্যা প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন, জীবন সংগ্রাম‌ও... আবার, কিছু সংগ্রাম‌কে কোথাও গিয়ে সংগ্ৰাম‌‌ও বলা যায় না হয়তো, যেখানে সংগ্রামের হয়তো কোন সীমাবদ্ধতা নেই... সংজ্ঞা হারায়..

ক্লান্তির শেষ সীমা..

ক্লান্তির শেষ সীমার মধ্যে দিয়ে অবিরাম চলতে চলতে চলতে চলতে... যতবার ছুটি নেব ভেবেছি.. ভালোবাসা আটকে দিয়েছে আমায়.. আমি পারিনি ছুটি নিতে, আমার ছুটি হয়নি! ভালোবাসা এমন...   - ( ২রা মে আগস্ট )