Posts

Showing posts from September, 2020

জীবনের ভ্রমণ

  অনেকেই কথায় কথায় বলেন, "কেনোই বা বেঁচে আছি?" এতো কষ্ট দুঃখ নিয়ে কি বাঁচা যায়?" তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলি - "গীতা, বাইবেল বা এইধরনের কিছু সময় করে প্রতিদিন পড়তে থাকুন। আমি পড়ি 😊। অনেক অনেক উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে, অনেক অনেক ব‌ই পড়েও আপনারা শিক্ষিত হননি। আপনাদের মধ্যে এখনও সেভাবে নূন্যতম আলোর সঞ্চার-ই ঘটেনি। জীবনের অর্থ, জীবনে বেঁচে থাকা বা জীবনের ভ্রমণ সম্পর্কে আপনারা একেবারেই অজ্ঞ। বারেবারে দায়িত্ব জ্ঞানহীন মূর্খের মতো কথা বলে আগামী পৃথিবীকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবেন না.. - অর্ণব ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২০

আবিস্কার

Image
সমস্যা থেকেই সমাধান। সমাধান রূপান্তরিত হয় আবিস্কারে। জীবনে চলার পথে যে কোন ঘাটতি-ই, নতুন কিছু আবিস্কারের পথ উন্মোচিত করে। সেই আবিস্কার-ই পথপ্রদর্শক হয়ে ওঠে আগামী পৃথিবীর জন্য..    - অর্ণব      ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২০    

সফলতা

জীবনে চলার পথে কিছুটা সময় জীবন সংগ্রামের গভীর প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যারা যায়, একমাত্র তারা-ই খুঁজে পায়, হিংসা-ভেদাভেদ মুক্ত, নির্মল-স্নিগ্ধ জীবনের এক অনন্য রূপ। খুঁজে পায় জীবনের গভীরতা। খুব কাছ থেকে ছুঁয়ে দেখার সুযোগ হয় জীবনের অজানা-অচেনা বহুরূপী সফলতাকে..   - অর্ণব      ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২০

হাসিমুখে অভিনয়..

কিছু মানুষ সদাসর্বদাই হাসিমুখে থাকে, যাদের দেখলে সবসময়ই মনে হয় তারাই জগতের সবথেকে সুখী মানুষ। কেউ নিজের আবেগ অনুভূতি প্রকাশ করে, কেউ করে না। একটা মানুষ সবসময় হাসিমুখে থাকে মানেই তার কোন‌ কষ্ট নেই, তেমনটা নয়। খোঁজ নিলে দেখা যাবে, হাসিমুখ পিছনের মানুষটির বুকের লুকোনো অজস্র চাপা কান্নার ভীড়। আসলে তারাই জগতের চরম দুঃখী 😊 সবটাই অভিনয়..       - অর্ণব       ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০২০

জয়ী

১৯৮৯ - এ গল্পটা শুরু হ‌ওয়ার পর, ২০০১ সালেই গল্পটা শেষ হয়ে যেত। কিন্তু তা হয়নি। বরং গল্পের নতুন মোড় নিয়েছিল। শুরু হয়েছিল এক দূর্গম কঠিন লড়াই। একটা নতুন ভাবনায়, নতুন আঙ্গিকে, নতুন ছন্দে, নতুন পথে, অচেনা-অজানা নতুন এক শুভ লড়াই শুরু করেছিল তারা। তারা লড়াইটাতে জয়ী। হ্যাঁ, জয়ী-ই বলব। জয়ের থেকেও বড় কিছু বললেও ভুল হবে না। লড়াইটা এখনও চলমান, তবে অনেকটাই সহজ পথে জয়ের উল্লাসে। সেটাই হোক। প্রাণভরে আমি সেটাই চাই। এ জয় তাদের। তারা আনন্দ, খুশিতে বাঁচুক যতোটুকু সম্ভব! এ জয়কে তারা প্রতিমুহূর্তে উপভোগ করুক প্রাণ ভরে। বুকে চাপা কান্না নিয়েও সবসময় হাসিমুখেই আমি প্রতিনিয়ত সঙ্গ দিচ্ছি তাদের। দেবো-ও। আগামীর লড়াইটা আমার হতে চলেছে। জানি, সে লড়াইটাও কোন সাধারণ লড়াই নয়। সে লড়াই পৃথিবীর অন্যতম কঠিন দূর্গম লড়াইগুলোর মধ্যে একটি হবে হয়তো। তাও আমায় লড়তে হবে। লড়তে হবেই। ২০২০ তেও আমি যাদের জন্য প্রাণ ভরে অক্সিজেন নিচ্ছি, তাদের জন্য‌ই আমাকে লড়তে হবে। জানিনা ঠিক কতোটুকু প্রস্তুতি নিতে পারছি আমি! চেষ্টা করছি সাধ্যমত। চেষ্টা করব আপ্রাণ..       - অর্ণব       ২৪শে ...

কেন বড়ো হলাম!

কেন বড়ো হলাম! কেন! যদিও বড়ো হলাম, তাও এতো কঠিন জীবন নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে আমায়! বাঁচতে হবে হাসিমুখে! কান্না আসলে লুকিয়ে লুকিয়ে! আমাকে যারা বড়ো করেছে প্রাণ দিয়ে, তাদের সামনে কাঁদা যাবে না! তারা কষ্ট পাবে! চেষ্টা করতে হবে আপ্রাণ তাদের মুখে হাসি ফোটানোর। জীবনের অনুভূতি যা নিলাম বা নিচ্ছি তা সত্যিই অভিনব! এখনও বলি, সামনে কি আছে জানিনা। স্বপ্ন, বিশ্বাস আর ভরসায় বাঁচি..   - অর্ণব     ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

"মা" আর "সন্তান"

সকল মা তার সন্তানের ভালোর জন্য কি‌ই-না করে।এমনকি মা তার সন্তানের জন্য নিজের প্রাণ পর্যন্ত দিয়ে দিতে চায় ক্ষেত্র বিশেষে। সন্তানের চোখে প্রত্যেক মায়ের গল্প‌ ভিন্ন ভিন্ন। প্রত্যেক মায়ের জীবনের গল্প, জীবনের লড়াইও ভিন্ন ভিন্ন। এই লড়াইয়ের গল্পগুলো কিছু সময় ভীষণ ভীষ-ণ কঠিন থেকে কঠিনতর গল্প হয়ে ওঠে‌। গল্প মানে, জীবন্ত কাহিনী। কিছু সন্তানের জীবনের শুরু "মা", শেষ‌ও "মা", এটা জেনেও শুধু মায়ের জন্য সন্তান তার কঠিন জীবনযুদ্ধ জারি রাখে হাসিমুখে। মায়ের মুখের দিকে চেয়ে। মা'কে হাসিখুশি রাখতে। এর বাইরে যখন আর কিছুই করার থাকে না সন্তানের! সন্তান অবিরাম চেষ্টা করতে থাকে আগামী পৃথিবীতে নিজে কিভাবে নতুন পথ খুঁজে নিয়ে টিকে থাকা যায়, মায়ের মুখে হাসি ফোটানো যায়! "মা" সব‌ই বুঝতে পারে‌। সন্তান‌ও তাই। কিন্তু, তবুও ভালোবাসা, স্নেহ আর মায়ায় বাঁধনে অভিনয় করতে করতে মায়ের আর সন্তানের জীবনযুদ্ধটা চলতে থাকে, এই জীবন্ত কাহিনীগুলো হয়তো পৃথিবীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে। "মা" আর সন্তানের কিছু জীবনের জীবন্ত গল্প এমন‌ও হয়! একদম অভিনব!    - অর্ণব      ২৩শ...

মা-বাবা আর সন্তান

সময় আর পরিস্থিতির নিষ্ঠুর পরিহাসে মা-বাবাকে নিজে হাতে সেবা করার, তাদের প্রতি কর্তব্য পালন করার, তাদেরকে ভরপুর আনন্দে রাখার সময়তো সুযোগ সকল সন্তান পায় না। যারা পায়, তারা  অনেক অনেক অনে-ক সোভাগ্যবান। কিন্তু, এই পাওয়ার সুযোগ পেয়েও যারা সময় এবং পরিস্থিতির ঘোরপ্যাঁ‌চের বশবর্তী হয়ে এই সুযোগ নিজেরাই হাতছাড়া করে তারা জগতের এক পরম সুখ পাওয়া থেকে বিরত থাকে...     - অর্ণব       ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২০

ভালোবাসা নির্মল, পবিত্র! আবার, অন্ধ ভালোবাসা জীবনে চলার পথে মাঝে মধ্যে ভয়ংকর

অত্যন্ত ভালোবাসা, স্নেহ, মায়া-মমতা, আবেগ, সময় আর পরিস্থিতির বশবর্তী হয়ে নিজের অজান্তেই নিজের সবচেয়ে কাছের মানুষগুলোর জন্য কিছু সময় কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। যে সিদ্ধান্তের ফল হয়ে দাঁড়ায় ভয়ংকর থেকে ভয়ংকরতম। যার সংশোধন সময় বিশেষে প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। সময় এগিয়ে চলতে থাকে। সময় এগিয়ে চলে। ভালোবাসার মানুষগুলোর দিকে চেয়ে, বোকার মতো অভিনয় করতে করতে, বিশ্বাস, ভরসা আর স্বপ্নের ওপর মজবুত আস্থা রেখে তাও চেষ্টা চলে সংশোধনের, অবিরাম। ভালোবাসা নির্মল, পবিত্র! আবার, অন্ধ ভালোবাসা জীবনে চলার পথে মাঝে মধ্যে ভয়ংকর! ভালোবাসার কাছের মানুষগুলো ভালো থাকুক..   - অর্ণব     ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২০      

আমার ব্লগ, আমার ভায়েরি

ইচ্ছে করেই আমার এই ব্লগটির সেভাবে S.E.O. বা Marketing কিছুই করিনি। কোথাও, কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে এই ব্লগের লিংক শেয়ার‌ও নয়। আমি চাই আমার ব্লগ, আমার এই লেখা, মনের কথাগুলো, শূণ্য মঞ্চে ইন্টারনেটের কোলে মুক্ত থাক নিজের মতো। হয়তো আমিও তাই! অনেক অনেক অনে-ক বছর পর যদি কেউ অজান্তে এই ব্লগে এসে প্রবেশ করেন, সেটা কাকতালীয়ভাবেই হবে। হয়তো তারা আমার অনেক আপনজন, ভালাবাসার সবাই। আমি শুধু লিখে চলেছি পাগলের মতো...

দূরভাষ, মুঠোফোন এবং আমি

  ।। দূরভাষ, মুঠোফোন এবং আমি ।।                                              ( দুবছর আগের লেখা) সময়টা সম্ভবত ১৯৯৮ - ২০০১ সালের এর মধ্যে। আমি তখন ওই ৯ থেকে ১০ বছর হবো। আমার মামারবাড়ী (লক্ষ্মীকান্তপুর) থেকে আমার মামুর সাথে গিয়েছিলাম আমার জয়গরের দেশ বাড়ীতে। পরিকল্পনা ছিল সারাদিন ঘুরে টুরে আবার মামার বাড়ীতে ফেরার। কিন্তু ট্রেন বন্ধ বা কোনো এক সমস্যার কারণে আমাদেরকে জয়নগরে থেকে যেতে হয়েছিল। তাই এই খবরটা মামারবাড়ীতে পৌঁছে দিতে, জয়নগর স্টেশনের কোনো এক মিস্টির দোকান থেকে মামুর সাথে আমি গিয়ে টেলিফোনের মাধ্যমে খবরটি পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম এই প্রক্রিয়াটির পর। এই ছিলো দূরভাষের সাথে আমার প্রথম পরিচয়। তার কিছু বছর পর আমাদের বাড়ীতে ল্যান্ডলাইনের টেলিফোন এলো। অনেক মজা, অনেক আনন্দ। ফোন আসলেই আগে দৌড়ে গিয়ে ফোনটিকে রিসিভ করতে যাওয়া। F.M. - এ ফোনে লাইন পাওয়ার চেষ্টা সহ নানান কিছুর মধ্যে দিয়ে কেটেছে এই সময়টি। এ ছিলো এক অনাবিল আনন্দের সময়। যা বলে হয়...

ভেবেছিলাম

কতো কিছু পরিকল্পনা ছিল। ভেবেছিলাম, এই সময়টা নিজের শারীরিক বিষয়টা নিয়ে নতুন করে আবার একটু ভাববো। নতুন করে আবার একটু চেষ্টা শুরু করব। সেতো হলোই না। মাঝ থেকে একাধিক ক্ষতি, ক্ষতি আর ক্ষতি হয়ে গেল। আসলেই এই সময়টা নিজেকে টিকিয়ে রেখে, সবাইকে সুস্থ রেখে সামনে এগিয়ে চলা সত্যিই বড়ো কঠিন। চেষ্টা করছি আপ্রাণ... ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

ওরা ওদের মতো ভাবুক না..

ওরা ওদের মতোই ভাবুক না। ওদেরকে ওদের মতোই ভাবতে দাও। আসলে তুমি নিজে তোমার মন থেকে যা, তার বাইরেও ওরা অন্য কিছু ভাবছে তোমাকে নিয়ে। এক্ষেত্রেও তুমি সোভাগ্যবান। কতোগুলো চরিত্রে মানুষ খুঁজে নিতে চাইছে তোমায়! ইতিবাচক, নেতিবাচক যাই ভাবুক না কেন, তাদের কাছে তুমি অন্তত ভাবার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছো। এ-ও যে অনেক বড়ো পাওয়া। ওদের ভাবনা আর‌ও স্বাধীনতা পাক।       - অর্ণব      ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০২০

সৃষ্টি

জীবনের কিছু সন্ধিক্ষণে যুদ্ধের প্রস্তুতিগুলো হয়তো এমনটাই হয় অর্ণব! জগতের খুব কমজ‌ন‌ই এই যুদ্ধের যোদ্ধা হ‌ওয়ার সু্যোগ পায়। জীবনকে এমনভাবে, এমন ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে ক'জন পারে অর্ণব! তৈরি রাস্তা দিয়ে সবাই এগিয়ে চলতে পারে। নতুন রাস্তা তৈরি তবুও সহজ। কিন্তু যখন সেই নতুন রাস্তা চিরাচরিত রাস্তা না হয়ে একটা সম্পূর্ণ নতুন সংজ্ঞায় তাকে আবিষ্কার করার জন্য অবিরাম কাজ করতে হয়, সেটাই হয় সৃষ্টি! যা এ জগৎ আদি অনন্তকাল ধরে ধারন ও লালন করে চলে...   - অর্ণব      ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০২০

কাকে বলবো? কে শুনবে আমার কথা?

কাকে বলবো কথাগুলো?  কাকে বলবো?  এমন এক জীবনের সাক্ষী যে আমায় হতে হবে সে কথা স্বপ্নেও ভাবিনি কখনো! এমন একটা সময়ের মধ্যে দিয়ে আমি চলেছি যে, যে সময় এই পৃথিবীর খুব কমজন‌ই প্রত্যক্ষ করেছে হয়তো। বাঁচতে হবে, অথচ চারিদিক থেকে ক্রমাগত সাইক্লোন! এক পা আগালে দশ পা পিছিয়ে দিচ্ছে আমায় বারবার। প্রতিনিয়ত চোখের সামনে ঘটে চলছে নানান শোকসন্তপ্ত ঘটনা। পরিবার, আত্মীয় পরিজন একে একে হারিয়ে যাচ্ছে। সময় কমে আসছে আসল লড়াইটা নিজে লড়ার জন্য প্রস্তুতি পর্ব সারার। মুভি দেখছি, গান শুনছি, কবিতা পড়ছি, লিখছি তবুও কোথাও না কোথাও যেন একটা অসম্পূর্ণতার ভাবনা থেকেই যাচ্ছে বরাবর। কিভাবে বাঁচবো আমি?  জানিনা! অথচ বাঁচতে হবেই! এ সিদ্ধান্তের নড়চড় করা যাবেই না। এই সিদ্ধান্তের বদল হলে, আমার এতোদূর লড়ে আসার পিছনের যে মানুষটা সেই মানুষটার চোখে জল আসলে প্রচন্ড কষ্ট পাবে! নতুন পথ খুঁজে চলেছি অবিরাম। একটা নতুন রাস্তা। নতুন সমাধান। জানি, এ সমাধান এতোটাও সহজ নয়। তবুও চেষ্টাটা করতেই হচ্ছে। জানিনা শেষ পর্যন্ত কোন সমাধান সূত্র পাবো কি পাবো না। জানি না কি হবে! তবে শেষ পর্যন্ত লড়াইটা চালাতেই হবে! নিঃস্ব হয়ে...

উক্তি

" কাউকে অনুভব করে কয়েকটি লাইনে কিছু লিখে বা বলে দিলেই সেই উক্তিগুলো রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যায় না। বিখ্যাত, মহান ব্যক্তিরা নিজেদের জীবনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কথাই লিখে বা বলে গিয়েছেন। সেগুলোই বিখ্যাত উক্তি হয়ে রয়েছে। যা আজ‌ও মনে হয় আমার, আমাদের।" - অর্ণব ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০২০

নাম জা-না হঠাৎ ঝড়

একথা ঠিকই যে, নাম না জানা হঠাৎ ঝড়গুলো, জীবনে সাময়িক সময়ের জন্য‌ই আসে। কেউ ঝড়গুলোর চোখে চোখ রেখে লড়াই করার সাহস রাখে, কেউবা নয়! হঠাৎ ঝড়ের মুখোমুখি হ‌ওয়ার প্রস্তুতি না থাকায়, প্রথমদিকে এই লড়াইয়ের জন্য সবাইকে-ই কম বেশি হোঁচট খেতে হয়। প্রাণপণে বহু চেষ্টায় লড়াইটা লড়ার পর, তারপর হয়তো জয় আসে। হয়তো নয়! হঠাৎ ঝড়ের মুখোমুখি হয়ে, লড়াই করাটা সবার জন্য‌ই কঠিন। লড়াই করতে অন্তত একটু মাটি প্রয়োজন হয়। যেটুকুর ওপর বিশ্বাস আর ভরসা রেখে লড়াই করাটা তবু্ও সহজ হয়। কিন্তু, নাম জা-না আগামীর হঠাৎ ঝড়ের পূর্বাভাস পেয়ে-ও যখন মাটি ছাড়া সম্পূর্ণ শূন্যে ভেসে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হতে হয়, লড়াই করার সাহস রাখার কথা ভাবতে হয়, সেই লড়াইটা হয় এক অভিনব লড়াই! জয় পরাজয়ের চিন্তা মাথা থেকে দূরে সরিয়ে, নাম জা-না আগামীর হঠাৎ ঝড়ের চোখে চো-খ রেখে, লড়াই করার সাহসটা জগতে খুব কমজন‌ই রাখে... অর্ণব ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০২০

হাসি মুখে এগিয়ে চল

একটা নীরব যুদ্ধ চলছে প্রতিনিয়ত, প্রতিমুহূর্তে। কেউ পরখ করছে, কেউ অনুভব করছে! কেউবা কিছুই জানতেও পারছে না। কি আজব এই জগতের খেলা, সময়ের খেলা! এ অভিনয়ের খেলা খেলতে খেলতে মানুষ আজ ক্লান্ত! পারছিনা বলতে নেই অর্ণব! জীবনযুদ্ধের কঠিন সময়গুলোর সাথে বন্ধুত্ব করে এগিয়ে যাওয়ার জন্যেই তুমি! হাসি মুখে-ই এগিয়ে চল... ©️ অর্ণব ১৩ই সেপ্টেম্বর ২০২০

~ সে-ও হয়তো বোঝে সব-ই ~

  নিঃশব্দে, নীরবে নির্মল, স্নিগ্ধ, মুক্ত মনে, তারা তাদের কাজটা করেই চলে। অন্তরের শুভ চিন্তা। মনে হয়, জগতের সকল শুভ যা কিছু, সবটাই তা-র, তাদের মননে! একটা নতুন পৃথিবী গড়বে বলে- মানবতা, সম্মান, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা দিয়ে পৃথিবীটাকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা অবিরাম! কিছু বলার আগেই বুঝে ফেলে। পৃথিবীর বুকটা যখন শূন্য হয়ে একঝাঁক কান্না নেমে আসে, যখন পৃথিবী অনেক খুশি থাকে, মজা করে, তারা সবটাই বোঝে! বুঝতে পারে, স-ব! পৃথিবীও হয়তো ছোট নয়, সে-ও হয়তো বোঝে সব-ই! সে কথা তারাও জানে, পৃথিবীও তাই! এ নির্জন জানারণ্যে, এ এক নীরব বোঝাপড়া, মায়ার বাঁধনে... ©️ অর্ণব ১২ই সেপ্টেম্বর ২০২০

চোখে চোখ, কিংবা কলম

চোখে চোখ রেখে কথা বলা মানে অর্ধেক, আধকাটা, তাইতো কলমে কথা বলে চলা প্রাণ ভরে সাদামাটা। চোখে চোখ রেখে কথা বলা মানে কথা স্রোতে ভেসে যাওয়া। তাইতো কলমে কথা বলে চলা প্রাণ ভরে খুশি পাওয়া। চোখে চোখ রেখে কথা বলা মানে কথা লুকোচুরি খেলা, তাইতো কলমে কথা বলে চলা প্রাণ ভরে দুই বেলা। চোখে চোখ রেখে কথা বলা মানে কথাদের গোলযোগ, তাইতো কলমে কথা বলে চলা জীবনের উপভোগ। চোখে চোখ রেখে কথা বলা মানে ট্র্যাফিক জ্যামেতে পড়া, তাইতো কলমে কথা বলে চলা কোন সিগন্যাল ছাড়া। চোখে চোখ রেখে কথা বলা মানে না বলা কথার ভিড়, তাইতো কলমে কথা বলে চলা স-ব বলা, মন স্থির। চোখে চোখ রেখে কথা বলা মানে সময়ের টান টান, তাইতো কলমে কথা বলে চলা মন জুড়ানো প্রাণ। চোখে চোখ রেখে কথা বলা মানে কথা হয়না শেষ, তাইতো কলমে কথা বলে চলা মনের আনন্দে বেশ। চোখে চোখ রেখে কথা বলা মানে লজ্জা ঘৃণার ভার, তাইতো কলমে কথা বলে চলা খুলে এ মনের দ্বার। চোখে চোখ রেখে কথা বলা মানে অজানা কান্না ভীড়, তাইতো কলমে কথা বলে চলা প্রাণ খুলে মন স্থির। চোখে চোখ রেখে কিংবা কলমে প্রকাশ হলেই হলো, চোখ কলমের দ্বন্দ্ব ভুলে না বলা কথা, বলেই ফেলো... - ©️ অর্ণব ১১ই সেপ্টে...

~ ভালোবাসার ঘুড়ি ~

  একটা নির্ভেজাল দুরন্ত জীবন, অঙ্কুর থেকে হেসে খেলে বেড়ে উঠতে থাকা। হাসি ঠাট্টা মজা আর আনন্দ, জ্ঞান আহরণ। স্নিগ্ধ নির্মল শান্ত সকালেরা সাক্ষী, সাক্ষী, লক্ষী পুজোর রাতের লুডোর ছক্কা! পড়ন্ত বিকেলে কড়ির গুলি, ভালোবাসার ঘুড়ি, লাটাই, খাল, বিল, বাড়ির বড় পুকুর, বড় পুকুরের মাছগুলো, আর ওই যে, প্রাইমারি স্কুলের পাশের খাঁ খাঁ করা মাঠ, সকাল বেলায় পড়তে বসার আগে প্রাতরাশের বুড়োর দোকানের ঘুগনী, বাড়ির উঠোনের যে পিয়ারা গাছটা, স্বাভাবিক সমাজ, বন্ধুগন, ভালোবাসা দিত যারা সবাই, সবাই জানে সে কথা। হঠাৎ, ঝড়! আমফানের থেকেও ভয়ংকর! বেসামাল! ছবিটা একটু পালটে গেল, জীবনের নয়, জীবনের বিপরীতে যারা তাদের কাছে! সমাজের ঘৃণ্য চোখ, করুণা, অবজ্ঞা, অবহেলা, এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা, বন্ধুগন আকাশ ছোঁয়ার লক্ষ্যে অবিচল, ওটা স্বাভাবিক! জীবন থমকাতে গিয়েও পারেনি, মা! স্রোতের বিপরীতে লড়াইয়ের চেষ্টা! সমাজ বহু আলোকবর্ষ দূরে! বন্ধুগনের পাল তার থেকেও দূরে! জীবন কি ভিনগ্ৰহী এখন? গুটিকয়েক, হাতে গোনা কটা ভালোবাসা জীবনকে সঙ্গ দিয়েছে, প্রতিনিয়ত। জীবন ঘরবন্দী। এতোদিনে, জীবনের বিপরীতে থাকা ভালোবাসা, সম্পর্ক, সম্মান, শ্...

নিজেই নিজের কাছে জনপ্রিয় থাকি

  মানুষের পছন্দ যেটা, মানুষ যেটা চায়, সময় যেটা চায়, সেই কথা ভেবে নিজের ভালো লাগার কাজকে উপেক্ষা করে কাজ করতে থাকলে হয়তো খুব কম সময়ের মধ্যেই জনপ্রিয়তা অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু নিজের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা অসম্ভব হয়ে ওঠে। অসম্ভব হয়ে ওঠে নিজেকে বোঝা, নিজেকে জানা, নিজেকে আবিস্কার করার। নিজের ভালো লাগার কাজকে ভালোবেসে, মজা করে, আনন্দ করে, প্রাণ ভরে করতে গেলে জনপ্রিয়তা অতো সহজে ধরা দেয়না। হয়তো সারাজীবনেও নয়। তাই বলে কি নিজের ভালোবাসার, ভালো লাগার কাজকে উপেক্ষা করা যায়! পারি না! হবেও না কোনদিন! ওভাবে জনপ্রিয়তা চাই না! তার চেয়ে, নিজেই নিজের কাছে জনপ্রিয় থাকি! - অর্ণব ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২০

~ মিল নেই, নিজের সাথেও নয় ~

  ~ মিল নেই, নিজের সাথেও নয় ~ --------------------------- কোন কিছুতেই কোন মিল নেই। একদম‌ই অন্যরকম। কারোর সাথে মিল খুঁজে পাওয়া বেশ মুশকিল। এমনকি নিজের সাথেও নয়! আমার তো সবটাই আলাদা। ্ সম্পুর্ন আলাদা! জীবন দর্শন থেকে শুরু করে, ভাবনাগুলো, চিন্তাগুলো সবকিছুই। সব... তাইতো মা মাঝে মধ্যে, আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে আদর করে, পাগল বলে! আমি খুব মজা পাই! খুব মজা! জোরে জোরে হি হি হি হি করে পাগলের মতো হাসতে থাকি। হারিয়ে যাই স্মৃতি ঘেরা ফেলে আসা দিনগুলোতে, এক বাস্তবিক রূপকথার দেশে! এক লহমায় বিরাজ করে পরম শান্তি! এক অনাবিল আনন্দ! জীবনে এর থেকে আর বেশি কিছু পাওয়ার, কি‌ই-বা আছে! আমার তো সবটাই আলাদা। ্ সম্পুর্ন আলাদা! পৃথিবী যেদিকে চলে, হয়তো তার বিপরীতেই আমার চলমানতা! ©️ অর্ণব ২ রা সেপ্টেম্বর ২০২০

মেঘ ভেজা মনে

মেঘ ভেজা মনে এ ঘরের কোণে বিদ্যুৎ হীন বেশে, রাত জাগা চোখে আমি সম্মুখে ভেজা সকালের দেশে। - ©️ অর্ণব ১ লা সেপ্টেম্বর ২০২০

মৃত্যু মিথ্যে হোক, সত্যি হোক জীবন

  মৃত্যুগুলো এমন হয় কেন! না, মৃত্যু তো সত্যি নয়! মৃত্যু, সত্যি নাও তো হতে পারে! তাহলে, বারেবারে কেন মনে হয় কাছেই আছে! সব দেখছে, শুনছে, বলছেও! শুনতে পাই, আমি শুনতে পাই, একেবারে পরিস্কার। কথাও বলি আনমনে! নির্জনে! মৃত্যু মিথ্যে হোক, সত্যি হোক জীবন! শান্ত হোক মন! পরম বিশ্বাসে মৃত্যু জেগে উঠুক! ফিরে আসুক, প্রাণ ফিরে পাক আবার! স্পর্শ করুক আমায়! এ বিশ্বাস রাখি! জীবনের চলমানতায়! মৃত্যু মিথ্যে হোক সত্যি হোক জীবন, শান্ত হোক মন! সারাজীবন শুধু বেঁচে থাকা! ©️ অর্ণব ১ লা সেপ্টেম্বর ২০২০