Posts

Showing posts from December, 2020

কথাগুলো সবার জন্য নয়..

প্রায়ই টেক্সট পাই,        "আপনার তো অনেক সময়। ব্যস্ততা নেই।  সারাদিন হুইলচেয়ারে বসে। তাই, যখন খুশি ফোনে কথা বলে নেবো বা দেখা করে নেবো একদিন। একটু দরকার রয়েছে।" আমি - বাঃ, খুব মজা তাই না😡? দেখা করাতো অনেক দূরের বিষয়। এমন ধরনের মানুষজনের সাথে কথা বলতে গেলে আমাকে অবশ্যই ভাবতে হয়। কাজটা সবাই করে। সবাই ব্যস্ত থাকে আজকের এই ব্যস্ত পৃথিবীতে। আমিও কাজ করি। আমাকেও কাজ করতে হয়। এই হুইলচেয়ার থেকে এই মানুষটা সারাদিন কি করে সেটা আপনাদের মস্তিকে পৌঁছতে হয়তো আরো কিছুটা সময় লাগবে। যাঁরা মানুষকে সম্মান করেন না, মানুষের সময়ের মূল্য বোঝেন না তাঁদেরকে আমি এড়িয়েই চলি। বড় বড় ডিগ্ৰি অর্জন করে থাকলেই শিক্ষিত হ‌ওয়া যায় না তার উদাহরণ আপনারাই। দুঃখজনক..

থেমে গেলে চলবে না..

Image
  চাপ্‌লা উচ্চ বিদ্যালয়ের (উঃ মাঃ) পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র। ২০০১ সাল। সবেমাত্র আমি রিউমাটয়েড আর্থারাইটিসে আক্রান্ত হয়েছি। পায়ে ব্যাথা শুরু, হাঁটাচলা করতে কষ্ট শুরু হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়েই হেঁটে হেঁটে স্কুলে আসতে হয় আমায়। হাফ মিনিটের ইটের রাস্তা ( উঁচু নিচু ) দিয়ে হেঁটে চলার সময় মনে হয় কখন শেষ হবে! মনে হয়, এই পথটুকু পাড়ি দিতে আমার এক বছর সময় লাগবে! ভীষণ কষ্ট হয়! পায়ের গোড়ালি গিয়ে যখন পড়ে উঁচু নিচু ইটের রাস্তার খাঁজে এদিক ওদিক, কেঁদেই ফেলি আমি! কখনো কখনো একটু বসেই পড়ি রাস্তার পাশেই! কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর আবার উঠে পথ চলা শুরু। কারণ, মা বলে, যেভাবেই হোক স্কুল পৌঁছতে হবে আমায়। থেমে গেলে চলবে না.. পথ চলতে চলতে হয়তো এমনটাই হয় অনেক সময়! অনেকটা কান্তিতে একটু বিশ্রাম নিয়ে আবারও শুরু হয় পথ চলা। সময় আর পরিস্থিতি পথ চলতে শেখায়! কখনো কখনো এই পথ চলার লড়াই বেশ কঠিন! তবুও পথ চলতে হয়.. কারণ, মা বলে, যেভাবেই হোক স্কুল পৌঁছতে হবে আমায়। থেমে গেলে চলবে না.. চাপ্‌লা উচ্চ বিদ্যালয়ের (উঃ মাঃ) নব নির্মিত পাঁচিল ও এই গেট ( এটা দ্বিতীয় গেট। নব নির্মিত প্রথম গেট অন্যদিকে পাকা র...

প্রিয় ম্যাজিক দাদা,

  প্রিয় ম্যাজিক দাদা, আজকে এই খুশির দিনে, কী চাই বলো তোমার কাছে? সবকিছু যে আমার আছে! পারলে আমায় ফিরিয়ে দিও, চেনা কিছুটা সময়! ভালোবাসা নিও আমার, আছি আজীবন প্রতীক্ষায়.. - অর্ণব ( ২৫শে ডিসেম্বর ২০২০)

লিখতে শুরু করলেই..

আমি লিখতে শুরু করলে থামতেই পারি না। পাতার পর পাতা কখন যে ফুরিয়ে যায় বুঝতেই পারি না। সারাদিন, সারারাত সারাজীবন লিখে গেলেও হয়তো আমার লেখা শেষ হবে না। মহা মুশকিল.. ভাবছি বছর শেষে আবার ডায়েরিতেই ফিরব। সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়ব। এতো লেখা সোশ্যাল মিডিয়াতে হয়তো বেমানান.. ( ২৪শে ডিসেম্বর ২০২০) 

অর্ণব, এ অর্ণব। শুনতে পাচ্ছিস?

"অর্ণব, এ অর্ণব। শুনতে পাচ্ছিস?" শীতের কনকনে ঠান্ডায় ভোর ভোর ( প্রায় ৩টে ) বাড়ির বাইরে থেকে সাথীদের উচ্চস্বরে ডাক ক্রমাগত। সবদিন আমি সঠিক সময়ে ঘুম থেকে উঠে প্রস্তুত হয়ে থাকলেও ওরা এসে ডাকে আমায়.. ওদের সাথে বেরিয়ে পড়া। গ্ৰামের পাকা রাস্তা ( কাঁচা নয়। মেন রোড। মেন রোডের পাশেই আমার ঘর) দিয়ে ধীর গতিতে ছুটতে ছুটতে পৌঁছে যাওয়া। চলতে থাকা একের পর এক যোগাসন অভ্যাস। সিনিয়র দাদা দিদিরা কেউবা লোহার বল ছুঁড়ছে, বর্ষা ছুঁড়ছে। আমাদের এক সিনিয়র দাদা খুব ভালো চক্রাসন করে। আমাকে নির্দেশ দেওয়া আছে সে চক্রাসনে থাকাকালীন তার পেটের ওপর উঠে সোজা হয়ে এক পায়ে দাঁড়ানোর জন্য। তার চারিদিকে আরো দু'চারজন এক‌ই আসনে। চলে এমন। যতক্ষণ না সূয্যি মামার আলো ভালো ভাবে দেখা যায়। পাশেই তো আমাদের শৈশবের জ্ঞান আহরণের পীঠস্থান "চাপ‌্‌লা নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়"। দুপুরে টিফিন সময়ে বাড়ি ( যেহেতু স্কুল থেকে আমার বাড়ির দুরত্ব হেঁটে মাত্র ১ মিনিটের পথ। তাই বাড়িতেই ভাত খেয়ে যাই) থেকে ভাত খেয়ে গিয়ে আচারের দোকানে লাইন দেওয়া। রাস্তাতে আচার দোকান দাদা না থাকলে এই মাঠেই আসতে হয় কখনো ক...

বাস্তবতা..

বাস্তবতার পাঠ আমাকে খুব বেশি না দিলেও চলবে। আমার চেয়ে বাস্তবতা আর কেইবা ভালো জানে! বরং বাস্তবতার এক ভিন্ন রূপ, এক ভিন্ন দর্শন রয়েছে আমার সংগ্ৰহেই। যে মানুষটা জীবনের সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটো রূপ ভ্রমণ করছে তার কাছে তো বাস্তবতা সৃষ্টি হয়..    - অর্ণব      (২৩শে ডিসেম্বর ২০২০) 

সারাদিন হুইলচেয়ারে..

বিষয়টা যেন কিছুই না। খুব সহজেই অভ্যেস হ‌ওয়ার মত কিছু। তাই খুব সহজেই দাঁত বার করে হে হে হা হা করে হাসতে হাসতে কেউ বলেন -       "কি করে সারাদিন যে হুইলচেয়ারে বসে থাকেন আপনি? অভ্যেস হয়ে গেছে তাই না? আমি তো এক মুহুর্ত এমনভাবে থাকতে পারি না, পারব না। অসম্ভব।" কেউবা আবার একটু সমবেদনা জানিয়ে,        "আরকি করবেন। ভাগ্য! বুঝি সব! সারাদিন হুইলচেয়ারে কি থাকা যায়! তবুও থাকতে হয়! কিছু তো করার নেই! বলেই দীর্ঘনিঃশ্বাস!" আমি - আমি মুচকি হাসি 😊। ভাবতে থাকি, ঠিক কোন জায়গা থেকে উত্তর শুরু করি 😊। উত্তর দেওয়ার মতো পরিস্থিতি বা সময় থাকলে বিস্তারিত বর্ণনা করে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সর্বদা চেষ্টার কোন ত্রুটি থাকে না আমার 😊 না, প্রশ্নকর্তাদের এমন ধরনের প্রশ্নে আমি যে খুব দুঃখ পাই বা কষ্ট পাই এমনটা নয়। একটা জীবনের সম্পূর্ণ দুটি পৃথক প্রান্ত না প্রত্যক্ষ করে থাকলে বা এবিষয়ে নূন্যতম ধারনা না থাকলে এমন ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন করাটাই স্বাভাবিক। বরং আমি এই ধরনের উত্তর দিতে গিয়ে জ্ঞান অর্জন করি প্রতিনিয়ত..   - অর্ণব     ২১শে ডিসেম্বর ২০২০

অচেনা

  ক্রমশ আরো সবকিছু অচেনা লাগছে। কোথাও কোনরকমের কোন আশার আলো হয়তো দেখতে পাওয়া যাবে না জানি। তবুও চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত, প্রতিদিন! হয়তো আমি পারছি না! ক্লান্ত হয়ে পড়ছি! কান্না পাচ্ছে! কিন্তু কাঁদতে পারছি না! তবুও চেষ্টা করছি! আবার চেষ্টা করছি! চেষ্টা আমি করি। চেষ্টা আমি করব‌ই। চেষ্টা আমাকে করতেই হবে! হয়তোবা আজীবন.. আমাকে নিয়ে চেষ্টার সীমানা পেরিয়েছে সবাই। তাই স্বাভাবিক ভাবেই চেষ্টাটা এবার আমার একার। এবার আমি একা। সম্পূর্ণ একা। না, কারোর প্রতি কোন অভিযোগ নেই আমার। বরং রয়েছে শুধু ভালোবাসা, স্মৃতি! আমি হয়তো সৌভাগ্যবান..       - অর্ণব       ২১শে ডিসেম্বর ২০২০                                                                                                                ...

আজকের এই অনুভূতি..

আজকের এই অনুভূতি.. কিছুক্ষণ পর হারিয়েও যেতে পারে। হাজার চেষ্টাতেও খুঁজে পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে তখন। তাই অনুভূতি যতটা সম্ভব প্রকাশ হোক। কারোর কাছে নাইবা সম্ভব হোক। প্রকাশ হোক নিজের কাছে! নিজের প্রকাশিত আজকের এই অনুভূতি আগামীতে নিজের পথের পথ দেখাতেও পারে..   - অর্ণব     ২০ ডিসেম্বর ২০২০

ভালো আছি..

"কেমন আছেন?" "কেমন আছো?" কিংবা "কেমন আছিস?"  উত্তরে "ভালো আছি। আমি ভালো আছি।"  জানা আছে উত্তর এমন‌ই আসে বারবার। তাই আমি কেমন আছি এই প্রশ্নের সম্মুখীন এখন খুব কম হত হয় আমায়। অনেকে বুঝতে পারে আমি খারাপ আছি তাই তারা জিজ্ঞেস করে না। অনেকে আমাকে ঘৃণা করে তাই জিজ্ঞেস করে না।  অনেকে চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী জিজ্ঞেস করতে হয় তাই জিজ্ঞেস করে আমি কেমন আছি। অনেকে আমাকে প্রচন্ড ভালোবাসে, সম্মান করে। হয়তো জানে আমি ভালো নেই। তবুও তাদের শুভ ইচ্ছা, আমাকে এগিয়ে চলার প্রেরণা দেওয়া, আমাকে খুশি রাখার জন্যে‌ই.. আমি কেমন আছি.. ভালো লাগে। শক্তি পাই..   - অর্ণব      ২০ ডিসেম্বর ২০২০

আমি লিখছি মানে কাউকে বলছি..

আমি লিখছি মানে কাউকে বলছি। কেউতো নেই যাকে আমার কথাগুলো আমি বলতে পারি! তাই এই ফাঁকা ভার্চুয়াল জায়গাতে লেখার কাছেই বলি কথাগুলো। আমি বুঝতে পারি কেউ শুনছে। অবশ্যই কেউ না কেউ শুনছে আমার কথা।  সোশ্যাল মিডিয়াতেও এখন অনেক মানুষের আনাগোনা। আমি তো কাউকে জানাতে চাই না আমার কথা। আমি চাই আমার কথা তরঙ্গে ভেসে বেড়াক। সময়ের কাছে পৌঁছে যাক আমার বুক চাপা কষ্ট, কান্না! হালকা হ‌ই। শক্তি পাই কিছুটা! বাঁচতে হবে! এগিয়ে চলতে হবে যে..    - অর্ণব      ১৮ই ডিসেম্বর ২০২০   

আজকের দিনটা..

আজকের দিনটা এখানেই থাকুক! আগামীকাল নতুন সকালের প্রত্যাশা করতে আর মন চায় না। মনে হয়, এমনটাই থাক। এমনভাবেই! যা আছে, যতটুকু আছে! এমনটাই থাক না! কিন্তু তবুও সময় এগিয়ে চলে। কোন মতেই তাকে আটকানো যায় না। আটকাতে পারি না। এ যেন কেমন বারেবারে হেরে যাওয়া! কষ্ট পাওয়া! তবুও মানতে হয়। তবুও চেষ্টা করতে হয়। মানিয়ে নিতে হয় সময়ের সাথে। আমি আমার সাধ্য মতো চেষ্টা করছি..    - অর্ণব      ১৮ই ডিসেম্বর ২০২০   

চেষ্টা..

একটা একটা করে চেষ্টা ব্যার্থ হচ্ছে। তবুও আমি চেষ্টা করছি প্রাণপনে! আমাকে চেষ্টা করতেই হবে! আমি কথা দিয়েছি! আমি স্বাভাবিক ভাবে যতক্ষন না নিঃশেষ হবো আমার এই চেষ্টা চলমান থাকবে..   - অর্ণব     ১৮ই ডিসেম্বর ২০২০

আগামীতে জন্মদিনের কেক কাটা থামবে না আর হয়তো..

  এইতো বিগত কিছু বছর ধরেই তুমি বলে আসছিলে, "আমার জন্মদিন পছন্দের নয়! আগে পছন্দ ছিল! কিন্তু এখন নয়! জন্মদিন সাড়ম্বরে পালন করা যেন আদিখ্যেতা, আমার চোখের বিষ হয়ে উঠেছে একটা সময়ের পর থেকে! এতো এতো আয়োজন করে মহা সাড়ম্বরে জন্মদিন উদ্‌যাপন, কেক কাটা এসব যেন আর না হয় কখনো! শুধু পায়েস বানিয়ে দিও আমায় নিয়ম করে! তাহলেই হবে! তার বাইরে আর কিছুই নয়!" তাইতো বিগত বছরেও জন্মদিনের কেকটা তুমি কাটার জন্য কেকের টেবিলের ওপর নকসা কাটা হাতের কাজ করা টেবিল ক্লথটাও তুমি পাততে দাওনি! অনেক রাগ, অভিমান আরো কতো কিছু.. তুমি এতোটাই অবুঝ! তাহলে? তাহলে আবার সেই মতের হঠাৎ পরিবর্তন? ওহ্, বুঝেছি ফেসবুকে ছবি দেবে বলে? লোভী কোথাকার! এমন লোভী তো তুমি নাও! সবাই জন্মদিনের ছবি দিচ্ছে, তাই তোমাকেও দিতে হবে তাইনা? চেয়ে দেখো, বহু মানুষ হা হা করে তোমায় দেখে হাসছে হুইলচেয়ার থেকে তোমার এই আজব কান্ড দেখে 😊। হঠাৎ জন্মদিন উদ্‌যাপনে তোমার সহমত? উত্তর দাও.. উত্তর.. - উত্তর চাইছো 😊? উত্তর খুঁজতেই থাকো.. আমিও হা হা করেই হাসছি 😊.. আমি জীবন লিখি, জীবন নিয়ে খেলি। জানি জীবন নিয়ে খেলা খুব খারাপ। তারপরেও,...

আবেগতাড়িত ডিসেম্বর..

এই সেই আবেগতাড়িত ডিসেম্বর আমি তাকে এড়িয়ে গিয়েছি যতবার, তবুও সে মায়া ছাড়েনি আমার ভালোবাসায় কাছে টেনেছে ততবার..        - তান       ( ১১ই ডিসেম্বর ২০২০ ) 

সময় ফিরুক তার গন্তব্যে..

সময় ফিরুক তার গন্তব্যে হাঁটি হাঁটি করে পা পা, সে-ই জানুক তার ঠিকানা! আর কেউ নাইবা জানল তা..     - অর্ণব    ( ১১ই ডিসেম্বর ২০২০ ) 

কলম..

  কলমের খেয়াল! কখন যে কি লিখবে সে নিজেই তো জানে না! কোন লেখা আমার নয়। আমি ন‌ই। কলম লিখছে নিজের অজান্তে। আমি আপাদমস্তক ইতিবাচক শক্তির আধার.. ( ১১ই ডিসেম্বর ২০২০ )

আমি এমন ন‌ই, আমি হয়তো আমি‌ই ন‌ই -

  বুঝতে পারছি, খুব হিংসুটে আর খারাপ একজন মানুষ হয়ে উঠছি আমি ধীরে ধীরে! জানি না কেন! হয়তো সেই সময়! সময় আমাকে এমন করে দিচ্ছে! এই ভার্চুয়াল জগতেও আস্তে আস্তে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়ছি! নিজের পোস্ট, নিজের প্রোফাইল, পেজ, স্টোরি, স্ট্যাটাস এসব ছাড়া আর কিছুই নয়! আমার পোস্টে কেউ কমেন্ট করলো কি করলো না বা কেউ কমেন্ট করলেও যে তাকে আমি রিপ্লাই দেবো সেই সৌজন্য বোধ‌ও হারিয়ে ফেলছি আমি! সব বুঝতে পেরেও যেন আমি নিরুপায়! আমি যেন কেমন স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছি! নিজেকে ভীষণ অচেনা লাগছে! যেটা ভালো লাগছে একমাত্র সেটাই করছি! যদিও কোনকিছু ভালো লাগানো টাও যেন আমার কাছে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ছে ক্রমশ! পাগলের মতো আবোল তাবোল লিখে চলি! কি লিখি নিজেও জানিনা! এ আমি, মনে হয় আমি ন‌ই! এই পাগলের থেকে যতোটা সম্ভব দূরে থাকুন। চাইলে নির্দিধায় আমাকে আনফ্রেন্ড করুন। কারোর প্রতি আমার কোন অভিযোগ নেই! আমাকে যদি কেউ ভুল বোঝেন তাহলে জানবেন সেটা সময়েরই ভুল.. অর্ণব সবসময়‌ই অর্ণব ( ১লা ডিসেম্বর ২০২০)

হারিয়ে যাওয়া ..

  যদিও চাওয়া বা না চাওয়ার ওপর হারিয়ে যাওয়া নির্ভর করে না। তবে চাইলেও সবসময় হারিয়ে যাওয়া যায় না! আসলেই এটা অনেক কঠিন কাজ! ক্ষেত্র বিশেষে অসম্ভব‌ও বটে! ভালোবাসা, মায়া-মমতা-স্নেহ, আবেগ আর স্মৃতি ঘেরা দিনগুলো। আশা, ভরসা আর বিশ্বাস। হারিয়ে যেতে দেয়না। মনে হয়, হারিয়ে না যাওয়া "আদেশ""। হারিয়ে না যাওয়া দায়িত্ব, কর্তব্য। হারিয়ে না যাওয়াই নিয়ম কিংবা অনিয়ম.. এ জগৎ যতদিন বেঁচে থাকবে, ঐশ্বী - রা কখনো‌ই হারিয়ে যাবে না। হারিয়ে যেতে পারে না। অসম্ভব.. ( তোর এই লেখার প্রত্যেকটা লাইন‌ই অনেক অনেক কথা বলে রে বোন! তোর এই লেখাতে রিপ্লাই দেওয়া 🤔, কথার ওপর কথা এসে সব অগোছালো হয়ে যাওয়া! বেশি লিখলাম না। আমার দৃষ্টিকোণ থেকে সংক্ষেপেই রিপ্লাই দিলাম। ) - #দাদা ( ৭ই ডিসেম্বর ২০২০ )

পুরাতন বেশে

Image
  নভেম্বরের শেষে, সেই পুরাতন বেশে। আদুরে সেই #ডিসেম্বর - কে জানাই আমন্ত্রণ, একের পর এক আকস্মিক বিধ্বংসী সাইক্লোন, তাও #তুমি ভালো থাকো, ভালো রাখো, সাহস রাখো মন.. --------------------------- ছবি তোলার কারণ ? - অকারণ । ছবি তোলার কোন কারণ নেই আমার কাছে অকারণেই ছবি তুলি একটা অকারণ ছবি তুলতে বললাম। ছবি তুলে দিল বোন ( অঙ্কিতা ) । বাঃ, সুন্দর হয়েছে খুব ভালো । - অর্ণব ( ৩০শে নভেম্বর ২০২০)

#রাস্তা 🌿

  শুরুটা অজান্তেই, মসৃণ, সহজ কিংবা কঠিন! সময় বয়ে চলে তার আপন গতিতে। চেনা রাস্তা কিংবা অচেনা, গাঢ় অন্ধকার! নতুন রাস্তার খোঁজ শুরু, একটু আলোকিত রাস্তা খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা। মাঝপথে, রাস্তা দিয়ে শুধুই পথচলা। ক্লান্তি, তারপরেও, পথচলার চেষ্টা! ভালোবাসা, মায়া, মমতা, আবেগতাড়িত স্মৃতিদের আনাগোনা! থমকে পড়া, ক্লান্তির শেষ সীমায় পৌঁছে তারপরেও, পথচলার চেষ্টা, রাস্তা! নতুন আলোর রাস্তা খোঁজা, এ রাস্তা থেকে সে রাস্তা! রাস্তার মায়ায়, তাও রাস্তাকে বিদায় জানানো! অগত্যা, নিয়ম! রাস্তা শুরু আর শেষ, আবার নতুন রাস্তার খোঁজে! আসলেই রাস্তার শেষ নেই, ঘুরেফিরে সেই এক‌ই রাস্তায় ফিরে আসা। রাস্তা জীবন, এ এক গোলকধাঁধা.. - অর্ণব ( ১লা ডিসেম্বর ২০২০)
Image
 

চোখে জল অবিরাম..

  চোখে জল অবিরাম.. --------------------------------- মনে হচ্ছে, জীবনে অনেক বেশি কিছু পেয়ে গেলাম! হ্যাঁ, ২০২০ আমার থেকে প্রায় সবটাই ছিনিয়ে নিয়েছে! বিনিময়ে নয়, নতুন করে পাইয়ে দিয়েছে জীবনের অমূল্য পাওয়াও! এ পাওয়া আমার জীবনের অতিরিক্ত পাওয়া মনে হয়! ভাবিনি কখনো ! ভুলব না আমি! এই পাওয়া মনে থাকবে, সাথে থাকবে আজীবন! এই পাওয়া অনেক স্নেহের, মায়ার, মমতার আর ভালোবাসার ! আমি আমার সাধ্য মত চেষ্টা করব এই পাওয়াকে প্রাণ দিয়ে আগলে রাখার ! যতদিন বেঁচে আছি ! এমনও হয়! হয়তো একটা হুইলচেয়ার থেকে এমনটাই হয়! চোখে জল অবিরাম.. ( ২রা ডিসেম্বর ২০২০)

পুজোর ফুল..

  ঘুমিয়ে নেই। তবে চোখটা বন্ধ করে আছি ইচ্ছে করেই। চারিদিক নিস্তব্ধ। ঘুটঘুটে অন্ধকার। ভেন্টিলেটর থেকে এক টুকরো আশার আলো জানান দিচ্ছে সকাল হয়েছে, বুঝতে পারছি। সময়ের সঠিক পরিমাপ জানা নেই। চার দেওয়ালের মধ্যে ভাবনার জাল বোনার নেশায় মেতেছি। কিছুটা পরেই, ঠাকুর ঘর থেকে মায়ের সেই চেনা শঙ্খধ্বনি ভেসে আসবে তরঙ্গে। এরপর পুজোর ফুল আমার কপালে ছুঁইয়ে দিলে আমি আবারও জেগে উঠবো। আরো একবার জেগে উঠবো সেই দৃঢ় বিশ্বাস, আশা ভরসা আর অনেকটা শক্তি নিয়ে বেশকিছুটা সময়ের জন্য.. - অর্ণব ( ৮ই ডিসেম্বর ২০২০)

ডিসেম্বর -

Image
 

শুভ সকাল -

Image
 

ভুলিনি আমি -

  শিক্ষকতা করি আমি। তাই যেখানে সেখানে যেমন তেমন কথা বলে দিলেই চলে না। সকলকে সম্মান ও শ্রদ্ধা দিয়ে অনেক ভেবেচিন্তে তবেই কথা বলতে হয়। ভুলিনি আমি। অর্ণববাবু সকলকে যেমন সম্মান ও শ্রদ্ধা জানান, তেমনভাবেই তাঁর সম্মান‌ও তিনি বজায় রাখতে জানেন। এটা আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল। তাই ব্যক্তিগত স্তরের কিছু লেখা স্বাভাবিক ভাবেই আসে এখানে। আসবেও‌। ব্যক্তিগত স্তরে আমিও কারোর সন্তান, দাদা, কিংবা ভাই। নিজের সম্মান নিজের কাছে। সম্মান দিলেই তবে সম্মান পাওয়া যায়। ব্যাস এইটুকুই বলার ছিল আপাতত.. 25th november 2020

নিস্তব্ধ এই শীতের দুপুর -

  নিস্তব্ধ এই শীতের দুপুর মনে হয় অনেক চেনা, এইতো সেদিনের কথা স্মৃতিদের আনাগোনা। - অর্ণব ( ২৬শে নভেম্বর ২০২০)

জীবনের পক্ষে..

  হয়তো নেগেটিভ পোস্ট- কিচ্ছু করার নেই.. মন চাইলে নির্দিধায় এখনই আমাকে আনফ্রেন্ড বা আনফলো করুন - বানিজ্যিক অনুপ্রেরণা বা লোক দেখানো কথা বলি না। আমি যা, আমি যেভাবে জীবনকে দেখি, আমার থেকে সেই কথাগুলোই বেরিয়ে আসে! আমি এই যে এখনো বেঁচে আছি এইটুকুই অনেককিছু আমার জন্য! এইটাই অনুপ্রেরণা ধরে নিন। অনুপ্রেরণা আমার‌ও! আমি জীবনের পক্ষে। যে কোন পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকার পক্ষে। কখনো কোন পরিস্থিতিতে জীবনকে অস্বীকার করে দায় এড়িয়ে যাইনি আমি। হবেও না এমন। এটা নিয়ে এই মুহুর্তে বেশি কথা বলবো না.. ২০২০, এই অসহ্যকর সালটা যে কতক্ষনে শেষ হবে কে জানে! জীবনে অনেক অনে-ক ঘাত প্রতিঘাত সামলে নিয়েছি। যা মানুষ স্বপ্নেও হয়তো ভাবতে পারে না। আমিও পারিনি। তেমন লড়াইগুলো হাসিমুখে লড়ে জয়ী হয়েছি। কিন্তু এই ২০২০ সাল আমাকে যেভাবে প্রতিনিয়ত বিদ্ধ করে দিতে দিতে আমার ওপর দিয়ে এগিয়ে চলছে, ভীষণ ভীষ-ণ কষ্টকর হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিষয়টা! আজ একটা বিষয় কোন রকমে সামলে উঠছি, সামনে আরেকটা বিষয় এসে হাজির হচ্ছে। মানসিকভাবে এতোটাও কখনো ভেঙ্গে পড়িনি আমি।! প্রতিনিয়ত চরম অবসাদ কাজ করছে। কাজ করতে পারছি না মন দিয়ে। সব ভুলে যাচ্ছ...