একটা একটা করে চেষ্টা ব্যার্থ হচ্ছে। তবুও আমি চেষ্টা করছি প্রাণপনে! আমাকে চেষ্টা করতেই হবে! আমি কথা দিয়েছি! আমি স্বাভাবিক ভাবে যতক্ষন না নিঃশেষ হবো আমার এই চেষ্টা চলমান থাকবে..
আমার নীরব সঙ্গীর, ( নিখিল কাকু এই শব্দটা উপহার দিয়েছিলেন আমায়। অনেক ভালো লেগেছিল। এটাই বলি ) ইতিকথা। ◼️ KM - 5000 - এর সাথে চার বছর, চার বছুরে উদ্যাপন, স্মৃতিচারণ, এক টুকরো লেখা, একটি ছোট্ট উপহার ওর ( ◼️ KM - 5000 / নীরব সঙ্গীর ) জন্য - বহুদিনের স্মৃতি ঘেঁটে ঘেঁটে, হাতড়ে হাতড়ে লেখাটা সত্যিই খুব চাপের ব্যাপার আমার কাছে। আরও চাপ হয়ে যায়, যখন সেই স্মৃতি খুঁজে দেখার মতো বা খুঁজে পাওয়ার মতো সেই অর্থে তেমন কোন কিছুই, যেমন, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি অবশিষ্ট থাকে না। বাঃ থাকলেও খুবই সীমিত। তাও, এই স্মৃতি নিয়ে ঘেঁটে ঘুঁটে, হাতড়াতে হাতড়াতে লিখতে বেশ ভালোই লাগে। বলা যেতে পারে, কখনো কখনো কিছু ক্ষেত্রে জীবনে ক্ষণিকের এক চরম প্রশান্তি বয়ে আনে তা! ২০১৬ - এর আগের বছর গুলো ( মূলত ২০০১ থেকে ৬ আগস্ট ২০১৬। একটা রেফারেন্স লিংক দিলাম এখানে - https://www.facebook.com/arnabkumarhalder/posts/1945551022210904 ) নিয়ে তেমনভাবে হয়তো কথা বলতেই পারব না। বেশ গোলমেলে স্মৃতি। ঘেঁটে ঘুঁটে নিয়ে আসা ভীষণ মুশকিলের। আগেই বলেছি, এই মুশকিলটা আরও অনেক বেশি হয়ে দাঁড়ায় তখন, যখন সেই অর্থে কোন ...
*আমার ছাত্রজীবনের বন্ধুগন/সহপাঠী,* ভুলে যাস না, ক্লাসের ফার্স্ট বয় ছিল এই অর্ণব।এখন এই হুইলচেয়ারে বসা ছোট্ট মানুষটা। সময়ের ধীর পরিবর্তন, প্রতিকূল পরিস্থিতি, তিন তিন বছর ক্লাসে গ্যাপ দিতে বাধ্য হওয়া। প্রচন্ড মানসিক চাপ, তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা, সবকিছুর পরেও জীবনের দুই বড় পরীক্ষা মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক কোন রকম বিশেষ সুবিধা ছাড়াই সবার সাথে লড়ে পার হয়েছিলাম। ইচ্ছে করে কোন রাইটার, অতিরিক্ত সময় কিছুই নয়। মাত্রাতিরিক্ত পেইনকিলার খেয়ে পরীক্ষা দিয়েছি। আসলেই এটা পরীক্ষা ছিল! অনেকেই নাকি আমার রেজাল্টে খুশি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্মাননা পাওয়া। কত বড় ব্যাপার! শুধু আমি খুশি ছিলাম না। মা খুশি ছিল। তাই আমি খুশি থাকার অভিনয় করছিলাম। মাধ্যমিক ৬৮%, উচ্চ মাধ্যমিক ৬০% এটা অর্ণবের রেজাল্ট হতে পারে না। অর্ণব ১০০ তে ১০০ পাওয়ার ক্ষমতা রাখে। লিখে দেব। ওরকম চাকরি দুচারটে সহজে পেতে পারি। যদিও চাকরি করার ইচ্ছে আমার কখনোই ছিল না... এক নয়, একাধিক মানসিক চাপ, কাজ, পরিবার, সময়, অনিশ্চিত ভবিষ্যত, সবকিছু মিলিয়ে ইদানিং সত্যিই আমি অনেক চাপে থাকি। কত সহজ বিষয় ভুলে যাই। বুঝতে পারি। একদম পড়াশোনা...
সমস্যা থেকেই সমাধান। সমাধান রূপান্তরিত হয় আবিস্কারে। জীবনে চলার পথে যে কোন ঘাটতি-ই, নতুন কিছু আবিস্কারের পথ উন্মোচিত করে। সেই আবিস্কার-ই পথপ্রদর্শক হয়ে ওঠে আগামী পৃথিবীর জন্য.. - অর্ণব ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২০
Comments
Post a Comment