থেমে গেলে চলবে না..

 


চাপ্‌লা উচ্চ বিদ্যালয়ের (উঃ মাঃ) পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র। ২০০১ সাল। সবেমাত্র আমি রিউমাটয়েড আর্থারাইটিসে আক্রান্ত হয়েছি। পায়ে ব্যাথা শুরু, হাঁটাচলা করতে কষ্ট শুরু হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়েই হেঁটে হেঁটে স্কুলে আসতে হয় আমায়। হাফ মিনিটের ইটের রাস্তা ( উঁচু নিচু ) দিয়ে হেঁটে চলার সময় মনে হয় কখন শেষ হবে! মনে হয়, এই পথটুকু পাড়ি দিতে আমার এক বছর সময় লাগবে! ভীষণ কষ্ট হয়! পায়ের গোড়ালি গিয়ে যখন পড়ে উঁচু নিচু ইটের রাস্তার খাঁজে এদিক ওদিক, কেঁদেই ফেলি আমি! কখনো কখনো একটু বসেই পড়ি রাস্তার পাশেই! কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর আবার উঠে পথ চলা শুরু। কারণ, মা বলে, যেভাবেই হোক স্কুল পৌঁছতে হবে আমায়। থেমে গেলে চলবে না..
পথ চলতে চলতে হয়তো এমনটাই হয় অনেক সময়! অনেকটা কান্তিতে একটু বিশ্রাম নিয়ে আবারও শুরু হয় পথ চলা। সময় আর পরিস্থিতি পথ চলতে শেখায়! কখনো কখনো এই পথ চলার লড়াই বেশ কঠিন! তবুও পথ চলতে হয়..
কারণ, মা বলে, যেভাবেই হোক স্কুল পৌঁছতে হবে আমায়। থেমে গেলে চলবে না..
◾চাপ্‌লা উচ্চ বিদ্যালয়ের (উঃ মাঃ) নব নির্মিত পাঁচিল ও এই গেট ( এটা দ্বিতীয় গেট। নব নির্মিত প্রথম গেট অন্যদিকে পাকা রাস্তার পাশেই) তখন ( ২০০১ সাল ) কিছুই নেই। ঠিক এই গেট বরাবর স্কুলের মাঠ থেকে ইটের রাস্তা সোজা গিয়ে পাকা রাস্তায়। সেদিনের কোন ছবি নেই। তাছাড়া সবকিছুই রয়েছে আমার কাছে.. সবকিছু..
- অর্ণব

Comments

Popular posts from this blog

আমার_নীরব_সঙ্গীর (◼️ KM - 5000 ) - এর সাথে চার বছর, চার বছুরে উদ‌্‌যাপন,

ভুলে যাস না, ক্লাসের ফার্স্ট বয় ছিল এই অর্ণব...

আবিস্কার