আমি ভাবি আর মুচকি মুচকি হাসি আপন মনে..
আমি ভাবি আর মুচকি মুচকি হাসি আপন মনে।
ছাত্র জীবনে ক্লাসের প্রথম সারির(আমিও তাদের সারির একজন। তবে আমি খুব ভালো চিনি তাদের..) সবকটা জিনিসই (বন্ধুগন) এখন আমাকে চিনতে পারে না। ভালো কথা.. প্রাথমিক থেকে - অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত অর্ণবের রোল স্ট্যান্ডটা একবার মনে করে দেখিস। তারপর তিন বছর পড়াশোনা বন্ধ, আবার শুরু। প্রতিকূল পরিস্থিতি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। মাত্র পাঁচ নম্বরের জন্য অর্ণবের স্টার হয়নি মাধ্যমিকে। তবে লাইফ সাইন্সে লেটার মার্কস। স্বপ্ন দেখতাম H.S. এ BIOSCIENCE নিয়ে পড়ার। কিন্তু.. পরিস্থিতি আবার বাদ সাধল.. H.S.এ অগত্যা আর্টস, হাই ফার্স্ট ডিভিশনে পাশ। কোন বিশেষ কোটার সুবিধা ছাড়াই এমন ফলাফল এই পর্যন্ত। স্কুলে যাইনি, শরীরে তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে একের পর এক পেইন কিলার খেয়ে আমি সবার সাথে বসে পরীক্ষা দিয়েছিলুম। শুধু একটা পৃথক টেবিলে আর চেয়ারে। সামনে গার্ড। খোঁজ নিয়ে দেখিস অর্ণবের সততা, পরিশ্রম, কষ্ট আর চোখের জলের পরিচয় তাঁদের কাছে.. অনভ্যাসে বিদ্যা হ্রাস। হ্যাঁ, ইদানিং প্রচন্ড মানসিক চাপ, পরিস্থিতি, কাজ, চাকরি সবমিলিয়ে পড়াশোনার চর্চায় না থাকার ফলে সত্যিই ভুল হয়। খুব সহজ বিষয় ভুল করি অজান্তে। ইংরেজি, অংক এমনকি মাতৃভাষা লিখতে গেলেও হাজারো বানান ভুল! নিজেই বুঝতে পারি। নিজেরই বিরক্তি লাগে! পড়াশোনায় মন দিতে পারি না, ধৈর্য্য থাকে না.. অর্ণবের পড়াশোনার মেধা একবিন্দু নিচে নামেনি। জাস্ট এক মাস স্টাডি করব। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াতে পারবো। চাকরির পরীক্ষা crack করতে পারব এখনও। অন্তত আগের সময়টা ফিরিয়ে দিতে পারবি আমায়? দে, তারপর দেখ..
Comments
Post a Comment