কন্ঠ স্বরের
"হ্যাঁ ম্যাডাম,
বলুন"- ফোনের ওপার থেকে এই কথাটাই মাঝে মধ্যে ভেসে আসে যখন আমাকে বিশেষ কারণে কাস্টমার কেয়ার বা এই ধরনের কোন অপরিচিত জায়গায় কথা বলার প্রয়োজন হয় 😊। অনেক মজা পাই 😀
২০০১ এ দু-দুটো ভয়ঙ্কর সার্জারির (মূলত Spinal Cord C1, C2 - এর অপারেশন হলেও তার সাথে গলার কন্ঠ স্বরের নীবিড় যোগসূত্র রয়েছে) পর আমার কন্ঠ স্বরের ওপর তার বেশকিছুটা প্রভাব হয়তো পড়েছে।
সময় আর বয়সের সাথে সাথে আমার কন্ঠ স্বরের স্বাভাবিকতা বজায় থাকলেও। কিছু সময়, বিশেষ করে দীর্ঘসময় উচ্চস্বরে কথা বলা, আবৃত্তি করা বা উঁচু নোটে গান গাওয়ার মতো কর্মকাণ্ড চালাতে আমার কন্ঠ স্বর একেবারে ক্ষীণ হয়ে আসে। ২০০১ এ ডক্টর বোলেই দিয়েছিলেন, গান গাওয়াটা হয়তো আমার পক্ষ্যে আর সম্ভব নাও হতে পারে। কিন্তু 😊, ছবি আঁকা, আবৃত্তি করা, গানের তালে গা দোলানো ছাড়াও গান গাওয়া তো আমার ভালোলাগা, ভালোবাসা 🥰।
২০০৫ বা ২০০৬ সাল থেকে আজ পর্যন্ত সবকিছুকে উপেক্ষা করে আমি আমার পছন্দের কর্মকাণ্ড চালিয়ে গিয়েছি, যাচ্ছি। শুধুমাত্র নিজের জন্য..
উপরে উল্লেখিত এতো কাহিনী ক্ষেত্র বিশেষেই প্রযোজ্য মাত্র। সবসময়ের জন্য নয় 😊। অন্যথায় আমার কন্ঠ স্বরের স্বাভাবিকতা বা গাম্ভীর্যতা সময়ের নিয়মেই 🥰
প্রসঙ্গত, নারী পুরুষের বিভেদ উপস্থাপন করার কোন রকমের প্রচেষ্টা আমার নেই। কোনদিন ছিলও না। কারণ, আমার কাছে দুজন সমান। আমার কন্ঠ স্বরের পরিবর্তন এবং তা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা বা অনুভূতির কথাই বললাম শুধু।
- অর্ণব
২৯শে অক্টোবর ২০২০
Comments
Post a Comment